একসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন লিন্ডন বি জনসন। নিজের পুরুষাঙ্গ নিয়ে রীতিমতো ‘অবসেশন’ ছিল ভদ্রলোকের। ভালোবেসে নিজের সেই প্রিয় অঙ্গের নাম দিয়েছিলেন জাম্বো। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক ও স্টাফদের নাকি প্রায়ই সেটা প্রদর্শন করে জানতে চাইতেন, ''এত বড় দেখেছ নাকি কখনও?'' সময় বদলেছে অনেক। কিন্তু আজও পুরুষাঙ্গের 'সাইজ' একটা বড় ফ্যাক্টর হয়ে থেকে গিয়েছে পুরুষের মনের ভিতরে। এক সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, অধিকাংশ জেন জি-ই নিজেদের পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে টেনশনে ভুগছে।
'ফর ফাকস সেক' নামের একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে জেন জি খোলামেলা কথা বলেছে তাদের পর্ন-আসক্তি নিয়ে। পর্ন-আসক্ত ৭৭ শতাংশ জেন জি জানাচ্ছে, তাদের মধ্যে ৪৯ শতাংশই জানিয়েছে নিয়মিত নীল ছবি দেখার অভিজ্ঞতা তাদের যৌনতার প্রতি প্রত্যাশাকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে নামী যৌনতা বিশেষজ্ঞ ড. মাইন্ডি ডিসেটা জানাচ্ছেন, তাঁর কাছে আসা 'ক্লায়েন্ট'দের অনেকেই এই নিয়ে আতঙ্কের কথা জানিয়েছেন।
'ফর ফাকস সেক' নামের একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে জেন জি খোলামেলা কথা বলেছে তাদের পর্ন-আসক্তি নিয়ে। পর্ন-আসক্ত ৭৭ শতাংশ জেন জি জানাচ্ছে, তাদের মধ্যে ৪৯ শতাংশই জানিয়েছে নিয়মিত নীল ছবি দেখার অভিজ্ঞতা তাদের যৌনতার প্রতি প্রত্যাশাকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
তাঁদের দাবি, নিজের লিঙ্গের আকার নিয়ে তাঁরা সন্দিহান। বিছানায় 'সাফল্য' পেতে গেলে বড় পুরুষাঙ্গ চাই, এমন এক ধারণায় ভুগছেন এঁরা। ফলে যৌনতা যে এক উপভোগ্য ক্রিয়া, তা ভুলে নারী সংসর্গের আগে টেনশন করতে শুরু করছেন যে, তাঁর পুরুষাঙ্গ যথেষ্ট বড় তো! এর সাহায্যে সঙ্গিনীকে তৃপ্ত করা যাবে তো! আর এখান থেকেই শুরু হচ্ছে এক মানসিক সংঘাত। যা যৌনতা থেকে সরে থাকার মতো সিদ্ধান্ত নিতেও উসকানি দিচ্ছে।
এর উলটো ছবিও আছে। বিরাট পুরুষাঙ্গ অনেক সময় বিপদও ডেকে আনতে পারে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে টেনশন শুরু হয় সঙ্গীকে কষ্ট দেওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ থেকে। যৌন থেরাপি এবং ট্রমা নিরাময়ে বিশেষজ্ঞ এক মনোবিজ্ঞানী ড. রড মিচেল বলছেন, যাঁদের যৌনাঙ্গের আকার সাত ইঞ্চি বা তার বেশি, তাদের মধ্যে কিছু পুরুষ যৌনতার সময় সঙ্গীকে ব্যথা দেওয়ার কারণে মানসিক আঘাত পেতে পারেন। ফলে পুরুষাঙ্গের আকারের নানা দিক নানা ভাবে উদ্বেগে রাখছে পুরুষকে। এর নেপথ্যে রয়ে গিয়েছে নীল ছবি, যেখানে যৌনতা সংক্রান্ত অতিশিয়োক্তি থাকে।
