বিচ্ছেদের পরও প্রাক্তন থেকে যায় কোথাও না কোথাও। মনখারাপের রাতে, প্রিয় গানে, প্রিয় ঘ্রানে মনে পড়ে যায় তাঁকে। তবে বিচ্ছেদ মানে কিন্তু এখনকার দিনে আর মুখ দেখাদেখি বন্ধ নয়। বহু মানুষ রয়েছেন যারা বিচ্ছেদের পরও সুন্দর বন্ধুত্ব বজায় রেখে দুটো আলাদা পথে এগিয়ে যান। কিন্তু অধিকাংশের কাছে বিচ্ছেদ মানে এক চরম যন্ত্রণা। যা কাটিয়ে উঠতেই কেটে যায় এক দীর্ঘ সময়। অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায়, বিচ্ছেদের বহুবছর পর সেই প্রাক্তনের বিয়েতেই নিমন্ত্রণ মেলে। সেখানে যাওয়া উচিত কি উচিত না, তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান উলটোদিকের মানুষটা। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক, এরকম পরিস্থিতিতে কী করা উচিত।
সব গল্পেরই একটা শেষ থাকে। এখানে আপনাদের প্রেমকাহিনী কীভাবে শেষ হয়েছিল, সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাদের বিচ্ছেদের পরও বন্ধুর মতো যোগাযোগ রয়েছে, একে অপরের খোঁজখবর রাখেন, ধরে নেওয়া হয় তাঁদের সম্পর্রকটা শেষ হয়েছে সুষ্ঠুভাবে। একসঙ্গে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। এতে কোনও প্রশ্নের ভিড় নেই, যার উত্তর মেলেনি। এই ধরনের ক্ষেত্রে প্রাক্তনের বিয়েতে গিয়ে কবজি ডুবিয়ে খাওয়াদাওয়া করে আসায় কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু যাদের মধ্যে অমীমাংসিত থেকে যায় অনেক কিছু? এখনও যে প্রতিমুহূর্তে প্রাক্তনকে মিস করে? প্রাক্তনের স্মৃতি আঁকড়ে থাকে, তাঁর ক্ষেত্রে?
বিশেষজ্ঞজের কথায়, যদি অমীমাংসিত কিছু থেকে থাকে, প্রাক্তনের প্রতি অনুভূতি যদি বেঁচে থাকে, তাঁর থেকে পাওয়া আঘাতগুলোর কথা ভেবে যদি আপনি আজও কষ্ট পান, তাহলে এই বিয়ের আসরে উপস্থিত থাকা আপনার জন্য প্রবল মানসিক দ্বন্দ্বের কারণ হতে পারে। তবে যারা এখনও ক্লোজারের অপেক্ষায়, প্রাক্তনের বিয়েতে উপস্থিত থাকা কিন্তু তাদের জন্য ভালোও হতে পারে। প্রাক্তন তো কোনওভাবেই শত্রু নন, তাঁকে নিজের চোখে নতুন জীবনে প্রবেশ করতে দেখে খুশি হন অনেকেই। কেউ কেউ আবার খানিকটা ঈর্ষা থেকেও প্রাক্তনের বিয়েতে যেতে চান। শুধু একটাই প্রশ্নের উত্তর পেতে, 'সে কি আমার থেকেও সুন্দর?' অর্থাৎ গোটা বিষয়টাই নির্ভর করছে আপনার উপর। আপনার মনে প্রাক্তন এখন ঠিক কোন জায়গায় রয়েছে, তার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নিন।
