শাশুড়ি-বউমার দ্বন্দ্ব চিরকালীন। এই সম্পর্ক কখনও ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও অধিকাংশ সময়ই থাকে ঘন কালো মেঘ! সামান্য মান-অভিমান যে কখন বিরাট আকার নেয়, তা বোঝা যে কারও সাধ্যের বাইরে। কখনও কখনও শাশুড়ি-বউমার ঝগড়া চরম আকার নেয়। শাশুড়ি কি মা হতে পারে বা বউমা কি মেয়ে হতে পারে? তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক চলতেই থাকে। কিন্তু জানেন কি এই দ্বন্দ্ব মেটানোর উপায় রয়েছে আপনার হাতেই। বাস্তু ও আচরণে কিছুটা বদল আনলেই শাশুড়ি-বউমার মিষ্টি সম্পর্ক যে কারও ঈর্ষার কারণ হতে বাধ্য। চলুন আজ নেনে নিন সম্পর্ক সুন্দর করার উপায়।
বাস্তুশাস্ত্রের ভিত্তিতে কী করবেন?
১. এক্ষেত্রে অবস্থান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। শাশুড়ির জন্য বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম দিকটি শুভ। চেষ্টা করুন সেদিকের ঘরেই থাকার। এদিকে বউমার জন্য ভালো উত্তর-পশ্চিম দিক। দুজনেই যদি সঠিক অবস্থানে থাকেন, তাহলে সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় থাকে।
ফাইল ছবি।
২. এখন বাড়িতে বাড়িতে লা ওপালার ব্যবহার। হাত থেকে পড়ে বাটি-প্লেট-গ্লাস ভাঙতেই থাকে। ভুলেও ভাঙা বাসন ঘরে রাখবেন না।
৩. ভুলেও দেব-দেবীর ছবি বা মূর্তি শোওয়ার ঘরে রাখবেন না।
৪. প্রতিদিন সকালে তুলসী গাছে জল দিন। সন্ধ্যায় ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালাতে ভুলবেন না।
ফাইল ছবি।
শাশুড়ি-বউমার সম্পর্ক সুমধুর করতে আচরণেও পরিবর্তন প্রয়োজন। তিনি গুরুজন, সম্মান দিন। স্বামীকে নিয়ে যদি বড়সড় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তা আগে শাশুড়িকে জানান। সে বিষয়ে তার পরামর্শ নিন। চেষ্টা করুন দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় তাঁর সঙ্গে কাটানোর। সময় পেলে তাঁকে কাজে সাহায্য করুন। হাতে সময় থাকলে শুধু দু'জনে বেরিয়ে পড়ুন। সিনেমা দেখুন, শপিং করুন, নিজেদের মতো করে কাটান। তবে হ্যাঁ, শাশুড়িকে সম্মান দিতে গিয়ে কিন্তু ব্যক্তিসত্ত্বাকে হারিয়ে ফেললে চলবে না। তাঁর কোনও কিছুতে আপনার আপত্তি থাকলে বা অস্বস্তি হলে তা স্পষ্টভাবে জানান। মনে রাখবেন, একতরফাভাবে মেনে নিয়ে সম্পর্ক সুন্দর করার চেষ্টা কিন্তু নিজের সঙ্গে অন্যায়। তা করবেন না ভুলেও।
