তিলক বর্মার অনবদ্য ব্যাটিংয়ে উত্তরাঞ্চলকে ৭ উইকেটে হারিয়ে দলীপ ট্রফির ফাইনালে দক্ষিণাঞ্চল। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ বৈভব সূর্যবংশী, ঈশান কিষানদের পূর্বাঞ্চল। মধ্যাঞ্চলকে হারিয়ে আগেই ফাইনালের টিকিট কেটে রেখেছেন তাঁরা। অর্থাৎ ফাইনালে 'সুপারস্টার' বাঁ-হাতিদের লড়াই দেখা যাবে।
দক্ষিণাঞ্চলের জয়ের নেপথ্যে তাদের অধিনায়ক তিলক। দুই ইনিংসেই ব্যাট হাতে দলকে ভরসা জুগিয়েছেন তিনি। প্রথম ইনিংসে দুরন্ত সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত হাফসেঞ্চুরি। অধিনায়কের ব্যাটেই ফাইনালের রাস্তা প্রশস্ত হয় সাউথ জোনের। প্রথম ইনিংসে ১৯৫ রানের বেশি করতে পারেনি নর্থ জোন। জবাবে তিলকের ১১৬ এবং শ্রেয়স গোপালের ৮৭ রানের সুবাদে দক্ষিণাঞ্চল তোলে ৩১২ রান। ১১৭ রানের লিড নিয়েই কার্যত ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় তারা।
দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল নর্থ জোন। ২৯৭ রান তুলে লড়াইয়ে ফেরে তারা। তিলকদের সামনে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ১৮১। সেই রান খুব একটা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। রিকি ভুঁই (৪২) এবং নারায়ণ জগদীশনের (৪৩) ব্যাটে দারুণ শুরু করে তারা। পোক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়েই জয় নিশ্চিত করেন তিলকরা। অধিনায়ক তিলক অপরাজিত থাকেন ৫১ রানে। রবিচন্দ্রন স্মরণ অপরাজিত ৩২। ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের রান তুলে নেয় দক্ষিণাঞ্চল।
দলীপ ট্রফির ফাইনালে এবার লড়াইটা শুধু দুই দলের নয়, একাধিক তারকারও। এক দিকে ঈশান কিষান, অন্যদিকে তিলক বর্মা। ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে নিয়মিত দুই ব্যাটারের মধ্যে কে শেষ হাসি হাসবেন, সেটাই এখন দেখার। পূর্বাঞ্চলের দলে বৈভব সূর্যবংশী, অভিমন্যু ঈশ্বরণ, মুকেশ কুমার, মহম্মদ শামির মতো ক্রিকেটাররা। দক্ষিণাঞ্চলের ভরসা তিলক, শ্রেয়স গোপালরা। ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখার আশায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।
