আধুনিক প্রযুক্তিতে ভর করে এখন জীবন আগের তুলনায় অনেকটাই সহজ। স্মার্টফোনের এক ক্লিকেই জেনে নেওয়া যায় অজানা তথ্য। পৌঁছে যাওয়া যায় গন্তব্য়ে। আবার টুক করে অর্ডার করে দেওয়া যায় খাবারও। শুধু তাই নয়, পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট করোনা পরবর্তী সময়ে সোশাল মিডিয়াতে অনেক বেশি সময় কাটায় যুবপ্রজন্ম। অর্থাৎ আট থেকে আশির একটা বড় অশং কোনও কোনও গুগলের শরণাপন্ন হয়েই থাকে। জিমেল থেকে গুগল অ্যাপ, ইউটিউব কিংবা প্লে স্টোরের ব্যবহার হয় আকছার। কিন্তু সমস্যা হল, আপনি জানতেও পারেন না যে এই ফাঁকেই আপনার ব্যক্তিগত তথ্য চুপচাপ টেনে নেয় গুগল। ঠিক কী কী তথ্য চলে যায় এই টেক জায়ান্টের হাতে? এখন জেনে নেওয়া যাবে অনায়াসেই। সেই বুঝেই হতে পারবেন সতর্ক।
আপনার স্মার্টফোনের লোকেশন যদি অন থাকে, তাহলে আপনার সমস্ত গতিবিধি জেনে নিতে পারে গুগল। তাছাড়া সার্চ ইঞ্জিন কিংবা ইউটিউবে আপনি যা যা সার্চ করেন, সেসব ইতিহাসও সযত্নে নিজের কাছে রেখে দেয় গুগল। এখানেই শেষ নয়, অনেকেই গুগলে ভয়েস সার্চ করেন। সেখান থেকেই জেনে নেওয়া যায় আপনি কী ধরনের অ্যাপে ঢুঁ মারছেন। তবে এবার আপনি নিজেই জেনে নিতে পারবেন যে গুগলের কাছে কোন কোন তথ্য সেভ করা থাকে।
গুগলের কাছে কী কী তথ্য?
- প্রথমে স্মার্টফোনের সেটিংসে যান।
- গুগলে ট্যাপ করে 'ম্যানেজ ইওর গুগল অ্যাকাউন্ট' সিলেক্ট করুন।
- সেখান থেকে ডেটা অ্যান্ড প্রাইভেসি সেকশনে পৌঁছে যান।
- এখানেই দেখে নিতে পারবেন আপনার কোন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ ব্যবহারের তথ্য গুগল রেখে দিয়েছে। লোকেশনের তথ্যও সেভ কি না, তা-ও জেনে নেওয়া যাবে।
- আরও বিস্তারিত তথ্য চাইলে, প্রতিটি ক্যাটাগরিতে গিয়ে ক্লিক করুন।
- অনেক সময়ই অ্যাপ কিংবা লোকেশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে একাধিক ব্যক্তিগত তথ্য গুগলকে দিতে হয়। সেখান থেকে এই টেক জায়ান্ট কোনটি সেভ রাখে, নিজেই চেক করে নিন।
কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন ব্যক্তিগত তথ্য?
- প্রয়োজন না হলে লোকেশন অফ করে রাখুন।
- সেটিংস থেকে অটো-ডিলিট অপশনটি অন রাখুন। ৩, ১৮ অথবা ৩৬ মাসের মধ্যে নিজে থেকেই যাবতীয় তথ্য মুছে যাবে।
- অ্যাড পার্সোনালাইজেশন অপশনটি ডিস-অ্যাবল করে দিন। এতে আপনি কি সার্চ করছেন, তা ট্র্যাক করা যাবে না।
- ভয়েস কমান্ড অপশনটি অফ করে রাখলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আপনার গতিবিধি ধরা পড়বে না।
