shono
Advertisement
Geetashree Roy

সাদা শাড়ি- গলায় মালা, আমিষ ছেড়ে সাত্ত্বিক গীতশ্রী! আচমকা কী হল 'রাশি' খ্যাত অভিনেত্রীর?

কাকভোরে ঘুম থেকে উঠে ক্লাস করা থেকে নিয়মিত পড়াশোনা, অনুশীলনের মধ্যেই নিমজ্জিত ছিলেন গীত। পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া খাবার খেয়ে দিন গুজরান। 'শুভ বিবাহ' শেষ হতেই কেন এই পদক্ষেপ?
Published By: Kasturi KunduPosted: 09:12 PM May 30, 2026Updated: 09:12 PM May 30, 2026

গীতশ্রী রায়, সকলের কাছে অবশ্য গীত হিসেবেই বেশি পরিচিত। তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছে 'শুভ বিবাহ' ধারাবাহিকে। তবে গীত আর 'রাশি তার নাম' যেন একে অপরের সমার্থক। আগামীতে আর স্টুডিওপাড়ায় দেখা যাবে না 'রাশি' খ্যাত গীতশ্রী ওরফে গীতকে? অভিনয় ছেড়ে এবার যোগগুরুর ভূমিকায় জীবনের নতুন জার্নি শুরু করছেন ছোট পর্দার এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী? সমাজমাধ্যেমের লেটেস্ট পোস্টে মিলল সেইরকমই ইঙ্গিত! চরিত্রের প্রয়োজনে যেমন কঠোর শরীরচর্চা, কড়া ডায়েট মেনে চলতে হয় যোগগুরু হয়ে উঠতে নাকি ঠিক সেইরকমই নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিটি নিয়ম পালন করেছেন গীত। কাকভোরে ঘুম থেকে উঠে ক্লাস করা থেকে নিয়মিত পড়াশোনা, অনুশীলনের মধ্যেই নিমজ্জিত ছিলেন অভিনেত্রী। আমবাঙালির পছন্দের খাদ্যতালিকাকে দূরে রেখে একেবারে সাত্ত্বিক খাবারে অভ্যস্ত হয়ে ওঠাই ছিল বিরাট চ্যালেঞ্জ।

Advertisement

ধবধবে সাদা জামদানি, গলায় গাঁদার মালা আর মুখে চওড়া হাসি। ঠিক এই অবতারেই একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। সার্টিফিকেট হাতে গ্রুপ ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, 'আজ থেকে আমি গর্বের সঙ্গে নিজেকে একজন যোগগুরু বলতে পারি। তবে এই যাত্রাটা মোটেই খুব একটা সহজ ছিল না। নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে প্রতিদিন ভোর পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠে একের পর এক ক্লাস করা, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়াশোনা ও অনুশীলন এগুলো যথেষ্ট কঠিন। আর এভাবেই আমাকে সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়েছে।' এবার আসা যাক খাদ্যতালিকায়।

সেই প্রসঙ্গে অভিনেত্রীর সংযোজন, 'খাবার নিয়ে কী আর বলব! একজন বাঙালি হিসেবে পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া সম্পূর্ণ সাত্ত্বিক খাবারে অভ্যস্ত হওয়াটা ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবুও আমি সবকিছু আনন্দের সঙ্গেই গ্রহণ করেছি। কারণ একটাই, নিজের লক্ষ্যে পৌঁছনো যেটার প্রতি আমার বহুদিনের অমোঘ আকর্ষণ।' প্রসঙ্গত, মেগা শেষ হতেই যোগগুরু হওয়ার লক্ষ্যে হৃষিকেশ পাড়ি দিয়েছিলেন গীতশ্রী রায়। পঁচিশ দিন সেখানে থেকে আমিষ খাবার ছেড়ে নিজের ইচ্ছেপূরণ করলেন অভিনেত্রী।

এই পথচলার মুহূর্তের সুন্দর অভিজ্ঞতা ভাগ করে লেখেন, 'অসাধারণ বন্ধুর সঙ্গ পেয়েছি এবং অত্যন্ত জ্ঞানী ও অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষকদের কাছ থেকে শেখার সৌভাগ্য হয়েছে। প্রতিটি শিক্ষা, প্রতিটি চ্যালেঞ্জ এবং প্রতিটি মুহূর্ত এই যাত্রাকে করে তুলেছে সুন্দর ও স্মরণীয়। আজ আমি শুধু একটি সার্টিফিকেট নিয়েই ফিরছি না সঙ্গে নিয়ে ফিরছি অগণিত স্মৃতি, অনেক শিক্ষা এবং অফুরন্ত কৃতজ্ঞতা।' নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে গীতের বক্তব্য, 'এটাই শেষ নয়, যোগ ও আধ্যাত্মিকতার পথে আমার ব্যক্তিগত যাত্রা তো সবে শুরু। সামনে কী অপেক্ষা করছে, তা জানার জন্য ভীষণ উৎসুক।'

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement