shono
Advertisement
Strait of Hormuz

থমকে শান্তি বৈঠক, এবার হরমুজ নিয়ে মুনির-ট্রাম্প ফোনালাপ! কী কথা হল?

আমেরিকার বিরুদ্ধে শান্তি স্থাপনের নামে মাত্রাতিরিক্ত দাবিদাওয়া চাপানোর অভিযোগ ইরানের।
Published By: Biswadip DeyPosted: 04:05 PM Apr 20, 2026Updated: 05:48 PM Apr 20, 2026

সোমবার বৈঠকে বসার কথা ছিল ইরান ও আমেরিকার। কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে তেহরান জানিয়ে দিয়েছে তারা কোনও বৈঠকে থাকবে না। এহেন পরিস্থিতিতে হরমুজ নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত। এবার দূরভাষে কথা বল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

Advertisement

কী কথা হল তাঁদের? সংবাদমাধ্যমের দাবি, আলোচনার সময় মুনির ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতা বিষয়ক কূটনৈতিক প্রয়াসে হরমুজ (Strait of Hormuz) অবরোধের প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন। এর জবাবে ট্রাম্প মুনিরকে জানান, এই ফোনালাপে যে পরামর্শ তাঁকে দেওয়া হল, তা তিনি বিবেচনা করে দেখবেন।

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে হরমুজ অবরোধের প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন। এর জবাবে ট্রাম্প মুনিরকে জানান, এই ফোনালাপে যে পরামর্শ তাঁকে দেওয়া হল, তা তিনি বিবেচনা করে দেখবেন।

এদিকে সোমবার ভোরে ইরানের জাতীয় মিডিয়ার তরফে জানানো হয়, ‘ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফায় শান্তি বৈঠক হবে বলে যে খবর ছড়াচ্ছে, সেটা ভুল।’ আরও জানানো হয়, ‘শান্তি স্থাপনের নামে আমেরিকা মাত্রাতিরিক্ত দাবিদাওয়া চাপাচ্ছে ইরানের উপর। ওয়াশিংটনের তরফে এমন কিছু শর্ত রাখা হচ্ছে যেটা একেবার অযৌক্তিক এবং অবাস্তব। একই সঙ্গে শান্তি আলোচনার সময়ে বারবার নিজেদের অবস্থান বদল করেছে আমেরিকা। নিজেদের মতামত প্রকাশ করেও সেটা পালটে ফেলছে।’ ফলে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি যে এখনও বিশ বাঁও জলে তা স্পষ্ট।

মুনির ইরান ও আমেরিকার মধ্যে শান্তি আলোচনার মধ্যস্থতা বিষয়ক কূটনৈতিক প্রয়াসে হরমুজ অবরোধের প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন। এর জবাবে ট্রাম্প মুনিরকে জানান, এই ফোনালাপে যে পরামর্শ তাঁকে দেওয়া হল, তা তিনি বিবেচনা করে দেখবেন।

যুদ্ধের সময়ে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রেখেছিল ইরান। সংঘর্ষবিরতির শর্ত মেনে ওই জলপথ খোলে তারা। কিন্তু সেসময়ে হরমুজ অবরোধ শুরু করে আমেরিকা। তারা জানিয়ে দেয়, ইরানের বন্দর ব্যবহারকারী জাহাজগুলির উপরে হামলা হবে। তেহরান মনে করছে, আমেরিকার এই অবরোধ সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করছে। তাই তাদের সঙ্গে আলোচনা সম্ভব নয়। ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, যুদ্ধের শুরু থেকেই অতি আগ্রাসী নীতি নিয়েছেন ট্রাম্প। তার ফলেই হয়তো আবারও যুদ্ধের আগুনে পুড়তে চলেছে মধ্যপ্রাচ্য। এহেন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে আমেরিকার এই বার্তালাপের কোনও প্রভাব কি পড়তে চলেছে যুদ্ধ থামানোর প্রয়াসে? আপাতত তা নিয়ে চর্চা চলছে ওয়াকিবহাল মহলে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement