সালটা ২০২৩। কানাডার বিমানবন্দর থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার মূল্যের সোনা চুরির ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় গোটা বিশ্বে। সেই ঘটনার পর কেটে গিয়েছে প্রায় দু’বছর। গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মোট সাত জন। তাঁদের মধ্যে দু’জন ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সোনা চুরির ঘটনায় এবার গ্রেপ্তার হলেন অষ্টম অভিযুক্ত। ধৃতের নাম আরসালান চৌধুরী। সোমবার টরন্টো বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে সে দেশের পুলিশ।
জানা গিয়েছে, বছর তেতাল্লিশের আরসালান দুবাই থেকে টরন্টোর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। টরন্টো বিমানবন্দরে পা রাখতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর বিরুদ্ধে চুরি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি দখল-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশের দাবি, সোনা চুরি কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সিমরনপ্রীত পানেসর ভারতে পালিয়েছে। জানা গিয়েছে, বছরর তেত্রিশের সিমরনপ্রীত ব্র্যাম্পটনের বাসিন্দা। তিনি এক বিমান সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। পুলিশের দাবি, তিনিই কারসাজি করে বিমানবন্দর থেকে সোনা এবং টাকা সরিয়েছিলেন। গত বছর চণ্ডীগড়ে একটি ভাড়াবাড়িতে শেষবার সিমরনপ্রীতকে দেখা গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। তারপর থেকে যুবকের কোনও হদিশ নেই। সিমরনপ্রীতের বিরুদ্ধে কানাডা জুড়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
২০২৩ সালের ১৭ এপ্রিল কানাডার বিমানবন্দরের সুরক্ষিত লকার থেকে ২২ মিলিয়ন ডলার মূল্যের সোনা ও বৈদেশিক মুদ্রার কার্গো কন্টেনার চুরি যায়। যা সদ্য সুইজারল্যান্ডের জুরিখ থেকে কানাডায় এসে পৌঁছেছিল। পুলিশের অনুমান, ভুয়ো কাগজপত্র দেখিয়ে চুরি করা হয়েছিল। এয়ার কানাডার অন্তত দু'জন কর্মী গোটা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন।
