ভারতকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই ইরানে শাসক পরিবর্তনে সক্রিয় ইজরায়েল। বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি যুক্তি দেন, ইরানের সঙ্গে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। ইতিমধ্যে আফিগানিস্তানকে ব্যবহার করে ইসলামাবাদকে অস্বস্তিতে রেখেছে দিল্লি। এবার ভারতকে সুবিধা পাইয়ে দিতে একই কৌশল নেওয়া হচ্ছে তেহরানের ক্ষেত্রেও। কীভাবে?
এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে খাজা আসিফ দাবি করেছেন, ভারত, আফগানিস্তান ওই ইজরায়েল যৌথভাবে পাকিস্তানের সঙ্গে শত্রুতার কৌশল নিয়েছে। সবকটি সীমান্ত দিয়ে শাহবাজ শরিপের দেশকে ঘিরে ফেলার কৌশল নেওয়া হয়েছে। সোশাল মিডিয়া পোস্টে আসিফ লিখেছেন, "যদি ইরানে শাসক পরিবর্তন ঘটে, তবে তা হবে ভারত এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইজরায়েলের যৌথ অ্যাজেন্ডা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শত্রুতাই যার লক্ষ্য।"
সরাসরি ভারতের দিকে আঙুল তুলে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, আফগানিস্তানের শাসক তালিবানকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘প্রক্সি’ হিসাবে ব্যবহার করছে দিল্লি। এখনও ওদের লক্ষ্য হল ইজরায়েলের প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানকে অস্বস্তিতে ফেলা। অর্থাৎ ভারত-আফগানিস্তান-ইজরায়েল ত্রিপাক্ষিক জোট হিসাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে, অভিযোগ খাজা শরিফের। সোশাল মিডিয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, "এর ফলে আমাদের সীমান্ত অসুরক্ষিত হয়ে পড়বে। চারপাশে শত্রু ঘিরে ফেলবে।"
প্রসঙ্গত, অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ অশান্তির কারণে পাকিস্তানে ডামাডোল বাড়ছে। সিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্বের পাশাপাশি আফগান সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্য়পাক বিদ্রোহের মুখে পড়ছে শাহবাজ শরিফ সরকার। তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) বিদ্রোহীরা রক্তক্ষয়ী আন্দোলন চালাচ্ছে। গত কয়েক মাসে একাধিক বিস্ফোরণ, আত্মঘাতী হামলা হয়েছে। পালটা দমনপীড়ন চালাচ্ছে পাক সেনা। বিদ্রোহের আগুনে জ্বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীরও। এর পিছনে দিল্লির জুজু দেখছে পাক সরকার।
