ইরানের পরমাণু ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সোমবার মেনে নিল রাষ্ট্রসংঘের পরমাণু নজরদার সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটোমিক এনার্জি এজেন্সি (আইএইএ)। যদিও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ায়নি বলেই দাবি তাদের।
আমেরিকার শর্তে পরমাণু চুক্তি না মানাই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর অন্যতম কারণ। এই অবস্থায় ইরানের পরমাণু ঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা অন্যতম লক্ষ্য আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ বাহিনীর। রবিবারই তেহরান দাবি করেছিল, পরমাণু ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর সেনা। যদিও সোমবার আইএইএ ডিরেক্টার জেনারেল রাফায়েল গ্রসি জানান, মার্কিন এবং ইজরায়েলি হামলায় ইরানের পরমাণুঘাঁটিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে – এমন কোনও তথ্য আমাদের কাছে নেই। বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেহরান রিসার্চ রিয়েক্টার সবই অক্ষত রয়েছে। ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমার যোগাযোগ করেছিলাম। কিন্তু কোনও উত্তর মেলেনি।
মঙ্গলবার অবশ্য নাতনাজ পরমাণু কেন্দ্রে মার্কিন-ইজরায়েল বাহিনীর হামলার কথা মেনে নিল রাষ্ট্রসংঘের পরমাণু নজরদার সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটোমিক এনার্জি এজেন্সি। তবে আশ্বস্ত করা হয়েছে এই বলে যে বিপজ্জনক তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ছড়ায়নি। যদিও সকালেই ওই অঞ্চলে ভূমিকম্পের খবর ছড়ায়। একটি সূত্রের দাবি, পরমাণু কেন্দ্রে হামলায় ভয়ংকর বিস্ফোরণ হয়। ওই বিস্ফোরণের ভূমিকম্পের অভিঘাত তৈরি হয়। ইরানের তরফে অবশ্য এই বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি। যদিও ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলিকে নিয়ে আতঙ্ক থেকেই যাচ্ছে।
