পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁচ পড়তে পারে ভারতেও। এ দেশেও হিংসার ঘটনা ঘটতে পারে। শিয়া মুসলিম সংগঠনগুলির পাশাপাশি ইসলামিক স্টেট (আইএস) বা আল কায়েদার মতো জঙ্গি সংগঠনগুলিও এই সময়ে সক্রিয় হচ্ছে বলে জানিয়ে সব রাজ্যকে সতর্ক করল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
আমেরিকা-ইজরায়েল সংঘাতে শনিবার নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যু। সেই খবর ছড়িয়ে পড়তেই রবিবার ভারতের নানা জায়গায় প্রতিবাদ, জমায়েত হয়েছে। উত্তরের কাশ্মীর উপত্যকা থেকে দক্ষিণের রাজ্য তেলঙ্গানা এবং কর্নাটকে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বহু মানুষ। খামেনেইয়ের ছবি হাতে নিয়ে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। ঘটনাচক্রে, সেই আবহেই শাহের মন্ত্রকের এই সতর্কবার্তা প্রকাশ্যে এল।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, দেশের সমস্ত নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলিকে সতর্ক করেছে শাহের মন্ত্রক। দেশের যেখানে যেখানে ইরানের পক্ষে এবং বিপক্ষে বিক্ষোভ-সমাবেশ হচ্ছে, সেই জায়গাগুলিতে কড়া নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে। পাশাপাশি, ভারতে থাকা ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার দূতাবাস ও কনসুলেটেও নিরাপত্তা বাড়াতে বলা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আশঙ্কা, বর্তমান পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে আইএস বা আল কায়েদার মতো জঙ্গি সংগঠনগুলি অস্থিরতা তৈরি করতে সচেষ্ট হতে পারে।
সরকারি সূত্রের আরও দাবি, দেশের যে সব জায়গায় বিদেশিরা ঘুরতে যান, যেখানে যেখানে ইহুদিদের বাস, সেই সব জায়গাতেও নিরাপত্তা বাড়াতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে সব রাজ্যকেও সতর্ক করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সংবেদনশীল এবং ব্যস্ত জায়গাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। সজাগ হতে হবে স্থানীয় পুলিশকে। প্রয়োজনে বিস্ফোরকের খোঁজে জায়গায় জায়গায় তল্লাশি চালাতেও বলা হয়েছে।
