খামখেয়ালি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রোষানলে এবার ইউরোপের দেশ সুইৎজারল্যান্ড। দেশটির মহিলা নেত্রীর কথা বলার ধরন পছন্দ না হওয়ায় রাগে শুল্ক কমানোর পরিবর্তে শুল্ক বাড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন খামখেয়ালি আচরণ সামনে আসতেই শোরগোল শুরু হয়েছে বিশ্ব রাজনীতিতে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, শুল্ক কমানোর আর্জি জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ফোন করেছিলেন সুইস ফেডারেল কাউন্সিলের সদস্য কারিন কেলের সুতের। তাঁর অনুরোধ ছিল, সুইৎজারল্যান্ড একটি ছোট দেশ। ফলে তাঁদের উপর থেকে শুল্ক কমানো হোক। তবে সেই কথোপকথন শেষ হওয়ার পর ৩০ শতাংশের পরিবর্তে দেশটির উপর শুল্ক বাড়িয়ে করা হয় ৩৯ শতাংশ।
ট্রাম্প বলেন, "যেভাবে উনি আমার সঙ্গে কথা বলেছেন তা আমার একেবারেই পছন্দ হয়নি। এই অবস্থায় ওনাকে রেহাই দেওয়ার পরিবর্তে আমি দেশটির উপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩৯ শতাংশ করেছি।"
শুল্ক বাড়ানোর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেন, "আমি ওদের উপর ৩০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলাম যা অনেক কম। এই অবস্থায় আমার কাছে একটি ফোন আসে। আমার মনে হয়েছিল সুইৎজারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট হয়ত ফোন করেছেন। তবে ফোনের ওপারে যিনি ছিলেন তিনি একজন মহিলা। তিনি ভালো ভাবে কথা বললেও তাঁর কথা বলার ধরন অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ছিল। বার বার একই কথা বলে যাচ্ছিলেন তিনি, স্যর আমরা একটি ছোট দেশ। এত শুল্ক দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ফোন ছাড়তেই চাইছিলেন না উনি।"
এরপরই ট্রাম্প বলেন, "যেভাবে উনি আমার সঙ্গে কথা বলেছেন তা আমার একেবারেই পছন্দ হয়নি। এই অবস্থায় ওনাকে রেহাই দেওয়ার পরিবর্তে আমি দেশটির উপর শুল্ক বাড়িয়ে ৩৯ শতাংশ করেছি।" ট্রাম্প আরও বলেন, "সুইৎজারল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় পণ্য রপ্তানি করে আসছে অথচ কোনও শুল্ক দিচ্ছে না। দেশটির সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতি বর্তমানে ৪২ বিলিয়ন ডলার।"
