যুদ্ধের মাঝেই ইরানের নয়া সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেইকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump)। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানালেন, মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ নাকি তাঁকে জানিয়েছে, ইরানের সুপ্রিম লিডার সমকামী। ট্রাম্পের এহেন দাবি সামনে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল শুরু হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্টকে প্রশ্ন করা হয়েছিল মোজতবা খামেনেই কি সমকামী? উত্তরে ট্রাম্প বলেন, "হ্যাঁ সিআইএ আমাকে একথা বলেছে। তবে শুধু সিআইএ-র কাছেই এই খবর রয়েছে বলে আমি মনে করি না।" পাশাপাশি ইরানের মতো মুসলিম দেশে সমকামিতার বিরুদ্ধে কঠোর আইনের কথা মনে করিয়ে ট্রাম্প বলেন, "সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ইরানের জন্য এটা অত্যন্ত খারাপ সূচনা। আমার মনে হয় অনেকেই এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। ওদের দেশের জন্য এটা খুব খারাপ।" যদিও নিজের দাবির প্রেক্ষিতে ট্রাম্প কোনও স্পষ্ট প্রমাণ পেশ করেননি।
ট্রাম্প বলেন, "হ্যাঁ সিআইএ আমাকে একথা বলেছে। তবে শুধু সিআইএ-র কাছেই এই খবর রয়েছে বলে আমি মনে করি না।"
উল্লেখ্য, মোজতবা খামেনেইয়ের সমকামিতা প্রসঙ্গে সম্প্রতি নিউইয়র্ক পোস্টে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে গোয়েন্দাদের গোপন রিপোর্ট পেশ করা হয়। যেখানে একাধিক বিষয়ের পাশাপাশি ছিল মোজতবার (Mojtaba Khamenei) ব্যক্তিগত জীবনের নানা তথ্য। রিপোর্ট অনুযায়ী, এক যুবকের সঙ্গে ইরানের নয়া সুপ্রিম লিডারের দীর্ঘদিন ধরে যৌন সম্পর্ক ছিল। ওই যুবক মোজতবার শিক্ষক ছিলেন। শুধু তাই নয়, মোজতবার দেখভাল করা একাধিক পুরুষের সঙ্গেও জোর করে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন তিনি।
সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, সমকামী মোজতবা নাকি একাধিকবার লন্ডনেও গিয়েছিলেন চিকিৎসা করাতে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সমকামী হওয়ার জেরে তিনি অনেক দেরি করে বিয়ে করেন। এমনও দাবি করা হয়েছে, মোজতবার বন্ধ্যাত্বের সমস্যা ছিল। অসুখ সারাতে লন্ডনের ওয়েলিংটন ও ক্রমওয়েল হাসপাতালে তিনবার চিকিৎসা করাতে যান। দীর্ঘদিন সেখানে ছিলেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, দাবি করা হচ্ছে, ব্রিটেনে চিকিৎসার জন্য টানা দু’মাস সেখানে ছিলেন মোজতবা। সেই সময়েই গর্ভবতী হন তাঁর স্ত্রী। তবে গোয়েন্দা রিপোর্টে এমন দাবি করা হলেও, এর প্রেক্ষিতে কোনও তথ্য প্রমাণ পেশ করা হয়নি। এবার সেই বিষয় নিয়ে সরাসরি মুখ খুললেন ট্রাম্প।
