shono
Advertisement
Iran strike US Bases

ইরানের মারে নিশ্চিহ্ন মধ্যপ্রাচ্যের ১৩ মার্কিন ঘাঁটি, হোটেল থেকেই যুদ্ধ চালাবে আমেরিকার সেনা!

মূল সেনাঘাঁটিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত ও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ায় বেশিরভাগ সৈনিককে ইউরোপে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিরা মধ্যপ্রাচ্যে থাকলেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 03:40 PM Mar 27, 2026Updated: 05:45 PM Mar 27, 2026

ইরানকে বাগে আনা যতটা সহজ বলে ভেবেছিল আমেরিকা, বাস্তবে তা হয়নি। বরং মার্কিন হামলার পর আহত বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছে ইরান। বেলাগাম ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতবিক্ষত মার্কিন ফৌজ। রিপোর্ট বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা ১৩টি মার্কিন ঘাঁটি (US Bases) কার্যত বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে সেখানে থাকা মার্কিন সেনা জওয়ানদের হোটেলে গিয়ে উঠতে হয়েছে। সেখান থেকে কাজ চালালেও পদে পদে আসছে বাধা। যার জেরে যুদ্ধের কার্যকলাপ ব্যাহত হচ্ছে আমেরিকার।

Advertisement

মার্কিন সেনা আধিকারিকদের উদ্ধৃতি তুলে ধরে সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ২৮ দিন ধরে চলতে থাকা যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করেছে ইরান (Iran Strikes)। ব্যাপক হারে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলেছে সেনাঘাঁটিগুলিতে। কার্যত তছনছ হয়ে যাওয়া এই সব সেনাঘাঁটি থেকে জওয়ানদের হোটেল ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আশ্রয় নিতে হয়েছে। মূল সেনাঘাঁটিগুলি ক্ষতিগ্রস্ত ও নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ায় বেশিরভাগ সৈনিককে ইউরোপে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিরা মধ্যপ্রাচ্যে থাকলেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন। সেনাঘাঁটিতে প্রবেশ করে যুদ্ধ পরিচালনা করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

ইরানের হামলায় তছনছ হয়ে যাওয়া মার্কিন সেনাঘাঁটি থেকে জওয়ানদের হোটেল ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আশ্রয় নিতে হয়েছে।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সেনার একটি বড় অংশ দূর থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করছে। বিরাট সমস্যা সত্ত্বেও পেন্টাগনের অবশ্য দাবি, অভিযান অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলছে। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বলেন, এখনও পর্যন্ত আমরা ইরান ও তাদের সেনাবাহিনীর ৭০০০-এর বেশি ঠিকানায় হামলা চালিয়েছি। তবে আমেরিকা ইরানের মাটিতে মারণ হামলা চালানোর দাবি করলেও রিপোর্ট বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা ১৩টি মার্কিন ঘাঁটি আর ব্যবহারযোগ্য নয়। ইরানি হামলায় মৃত্যু হয়েছে বহু মার্কিন সেনার।

জানা যাচ্ছে, ইরানের হামলার জেরে কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবা, আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটি এবং ক্যাম্প বুহরিং-সহ বেশ কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। কাতারের আল উদেদ বিমান ঘাঁটিতেও চলে হামলা। যার জেরে এখানকার রাডার সিস্টেম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরের কমিউনিকেশন সিস্টেমও তছনছ হয়ে গিয়েছে। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটির জ্বালানি ট্যাঙ্কার এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানকার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement