বাস্তবে না পারলেও ভারচুয়ালি গ্রিনল্যান্ডের দখল নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সোশাল মিডিয়ায় আমেরিকার এক নয়া ম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে গ্রিনল্যান্ডের পাশাপাশি কানাডা ও ভেনেজুয়েলাকেও আমেরিকার অংশ বলে দেখিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত এই ম্যাপ সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই বিতর্ক চরম আকার নিয়েছে।
মঙ্গলবার নিজের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ট্রুথ-এ পরপর দু'টি ছবি প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেখানে আমেরিকার ম্যাপকে তুলনায় অনেকটা বড় হিসেবে দেখানো হয়। নয়া এই ম্যাপে প্রতিবেশী দেশ কানাডাকে আমেরিকার অংশ হিসেবে দেখানোর পাশাপাশি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা ও ডেনমার্কের অধীনস্থ গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি সোশাল মিডিয়ায় আরও একটি ছবি প্রকাশ করেন ট্রাম্প। যেখানে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ও বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে দেখা যাচ্ছে ট্রাম্পকে। এই ছবিতে গ্রিনল্যান্ডের মাটিতে আমেরিকার পতাকা পুঁততে দেখা যাচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। পাশে একটি সাইনবোর্ডে লেখা, 'গ্রিনল্যান্ড, আমেরিকার অঞ্চল- স্থাপিত ২০২৬'
গ্রিনল্যান্ড দখলে নাছোড় মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এপ্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, গ্রিনল্যান্ড আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। ট্রাম্পের কথায়, 'গ্রিনল্যান্ডে রুশ আগ্রাসনের যে ঝুঁকি রয়েছে, তা নিয়ে ডেনমার্ককে বিগত ২০ বছর ধরে সতর্ক করে আসছে ন্যাটো। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই সতর্কবাণী কানে তোলেনি ডেনমার্ক। এবার সময় এসেছে এবং তা সম্পন্ন হয়েই থাকবে।’ সম্প্রতি বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপটিকে সমর্থনের জন্য ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের উপর তিনি নিক্ষেপ করেছেন শুল্কবাণ।
অন্যদিকে, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে অপরহণের পর ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, এই দেশটি এখন থেকে আমেরিকার নিয়ন্ত্রানাধিন থাকবে। সেখানকার খনিজ তেল আমেরিকার নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হবে। পাশাপাশি কানাডাকে আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত করার কথা আগেই জানিয়েছেন ট্রাম্প। গত বছরের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পরই তিনি কানাডাকে আমেরিকার ৫১ তম রাজ্য হওয়ার প্রস্তাব দেন। যদিও সেই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে সেখানকার সরকার।
