ফের বিস্ফোরণের শব্দ ইরানে! সপ্তাহ দুয়েক সব থেমে থাকার পর আচমকাই এই শব্দ ঘিরে সংশয়, উদ্বেগ। তাহলে কি ফের শুরু হয়ে গেল লড়াই। যদিও বুধবার ইরান-আমেরিকার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে ইজরায়েলের তরফেও সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা কোনও হামলা নতুন করে চালায়নি। এখনও পর্যন্ত বিস্ফোরণের কোনও কারণ জানা যায়নি। কিন্তু যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানে ফের ঘনাচ্ছে আশঙ্কার মেঘ।
এর মধ্যেই ট্রাম্প নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানকে। নিজের সোশাল মিডিয়া ট্রুথ সোশালে তিনি লিখেছেন, 'আমার কাছে বিশ্বের সময় পড়ে আছে, কিন্তু ইরানের হাতে নেই... টিকটিক করে দৌড়চ্ছে ঘড়ি।' সেই সঙ্গেই তাঁর হুঙ্কার, ইরানের সেনা ইতিমধ্যে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে আমেরিকার হাতে।
ইজরায়েলের তরফেও সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা কোনও হামলা নতুন করে চালায়নি। এখনও পর্যন্ত বিস্ফোরণের কোনও কারণ জানা যায়নি। কিন্তু যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানে ফের ঘনাচ্ছে আশঙ্কার মেঘ।
ট্রাম্পের এমন হুঁশিয়ারির পর প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি সত্যিই এবার পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করবেন ট্রাম্প? সেই সংশয় অবশ্য দূর করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি জানিয়েছেন, ''আমরা কেন পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে যাব? না, আমি সেসব ব্যবহার করতে চাই না। কারওই পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করার অধিকার নেই। আমরা একেবারে প্রথাগত যুদ্ধেই ওদের পরাস্ত করেছি।''
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় শান্তি বৈঠক নিয়ে ইতিমধ্যেই তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে আমেরিকা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ইসলামাবাদেই তা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, বৈঠকে যোগ দিতে পারেন ট্রাম্পও। কিন্তু বেঁকে বসেছে ইরান। ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, “দ্বিতীয় শান্তি বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।” ফলে শান্তি বৈঠকে ইরানের যোগদান এখনও অনিশ্চিত। এদিকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, ইরানের উপর নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যার লক্ষ্য দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেওয়া।
