যুদ্ধের আঁচ এবার মার্কিন ভূখণ্ডেও! ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম তটভূমিতে ভয়ংকর ড্রোন হামলা চালাতে পারে ইরান (Iran Drone Attack), এই বিষয়ে সতর্ক করল ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ঊর্ধ্বমুখী। মুহুর্মুহু হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা ও ইজরায়েল। এই অবস্থায় প্রতিশোধ নিতে পালটা মার্কিন ভূখণ্ডে হামলা চালাতে ছক কষছে তেহরান, এই ভাষাতেই ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনকে সতর্ক করেছে এফবিআই।
এবিসি নিউজের দাবি, এক সতর্কবার্তায় এফবিআই জানিয়েছে যে ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই (তখনও ইরানে যৌথ হামলা চালায়নি আমেরিকা-ইজরায়েল) মার্কিন ভূখণ্ডে হঠাৎ হামলার ছক কষে তেহরান। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার পশ্চিম তটভূমি মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির হামলা লক্ষ্য হতে পারে। এফবিআই আধিকারিকদের শঙ্কার কারণ---ইরানের সম্ভাব্য হামলার বিস্তারিত তথ্য নেই তাদের কাছে।
প্রসঙ্গত, আমেরিকা ও ইজরায়েলের লাগাতার হামলার পরেও পিছু হটতে রাজি নয় ইরান। ‘বিশ্বের জ্বালানির লাইফলাইন’ হরমজু প্রণালী, মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ এবং ইজরায়েলে প্রত্যাঘাত করছে তারা। ইরাকের বাণিজ্যবন্দর আল-ফ-তে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে তেহরান। এছাড়াও কুয়েত, কাতার, আরব আমিরশাহী এবং সৌদি আরব জানিয়েছে, দেশগুলিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হলেও তা রুখে দিয়েছে তারা। সংঘাতের মধ্যেই শান্তি ফেরাতে তিন শর্ত দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সেগুলি হল ১) সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে তেহরানের অধিকারের স্বীকৃতি, ২) যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং ৩) ভবিষ্যতে আগ্রাসন হবে না, রাষ্ট্রসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনের গ্যারান্টি।
নতুন খবর, ইরাকের বন্দরে আমেরিকান সংস্থার দু’টি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইরান। এই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও হরমুজে ভাসমান একাধিক জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে বলে খবর। সৌদি আরবের দাবি, ইরানের হামলায় তাদের একটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, একাধিক হামলায় হরমজুকে অবরুদ্ধ করার কৌশল নিয়েছে ইরান। এর ফলে যুদ্ধাবসনে চাপ বাড়বে আমেরিকা ও ইজরায়েলের উপরে।
