shono
Advertisement
Norway

'মুক্ত বাণিজ্যই অগ্রাধিকার', ভারত-ইইউ চুক্তি প্রসঙ্গে মন্তব্য নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের

ভারতে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, মুক্ত অর্থনীতিরই কাম‌্য, তা নিয়ে নানারকম বাধাপ্রদান কখনওই নয়। কৃষিক্ষেত্র সংক্রান্ত বিষয়গুলি এই চুক্তিতে না থাকলেও উৎপাদন, প্রযুক্তি, শক্তিসম্পদ, ওষুধের মতো ক্ষেত্রগুলিকে চুক্তির আওতায় আনা হচ্ছে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 01:41 PM Jan 24, 2026Updated: 01:42 PM Jan 24, 2026

নয়াদিল্লির সঙ্গে আরও গভীর অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার জন্য দৃঢ় সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে নরওয়ে। ভারতে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মে-এলিন স্টেনার জানিয়েছেন, ভারত এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ একটি ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসাবে গণ‌্য হবে। নরওয়ে এবং বৃহত্তর ইউরোপীয় অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের বাণিজি্যক সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক গতি তৈরি করবে এই চুক্তি। নরওয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ না হলেও স্টেনার মনে করেন, তাঁর দেশ ইউরোপীয় মুক্ত বাণিজ্য সংস্থা ইএফটিএ-র অংশ। ইতিমধ্যেই ভারতের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি বা টিইপিএ রয়েছে। যা গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়েছে।

Advertisement

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাঝে হওয়া চুক্তি, যেটিকে ব্রাসেলসের তরফে ‘মাদার অফ অল ট্রেড ডিলস’ অর্থাৎ সবের সেরা চুক্তির জন্মদাতা হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, সেটিতে কাছাকাছি এসেছে ইউরোপ এবং ভারত। সেই প্রসঙ্গে, ভারতে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, মুক্ত অর্থনীতিরই কাম‌্য, তা নিয়ে নানারকম বাধাপ্রদান কখনওই নয়। কৃষিক্ষেত্র সংক্রান্ত বিষয়গুলি এই চুক্তিতে না থাকলেও উৎপাদন, প্রযুক্তি, শক্তিসম্পদ, ওষুধের মতো ক্ষেত্রগুলিকে চুক্তির আওতায় আনা হচ্ছে। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় বেশ ধাক্কা খেয়েছে ভারতের বাজার। সেই লোকসান সামাল দিতে বিকল্প বাজারের সন্ধান করছে ভারত। ইউরোপের দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্যের মাধ্যমে লোকসান কমানো যেতে পারে বলেই অনুমান করছে কেন্দ্র।

নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মে এলিন বলেছেন, “আমরা বিশ্বাস করি একাধিক স্তর বিশিষ্ট নিয়মাবলি বাণিজ্যিক চুক্তি ভেঙে ফেলার ক্ষেত্রে কার্যকর হয় বেশি, তা গড়ে তুলতে নয়।” ট্রাম্পের দফায় দফায় শান্তির নোবেল পুরস্কার দাবি প্রসঙ্গেও তিনি জানিয়েছেন, এর পিছনে নরওয়ে সরকারের কোনও ভূমিকা থাকে না, তা পুরোপুরিই নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে। এই নিয়ে কূটনৈতিক স্তরে বিতর্ক বৃথা বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement