প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে জেলে দেখা করতে পারছেন না দলীয় কর্মীরা। এই অভিযোগ তুলে ফের সরব হল ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। এমনকী তাঁর আইনজীবীদের সঙ্গেও দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ। তারপরই ফের গুঞ্জন উঠতে শুরু করেছে, আদৌ কি বেঁচে আছেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী? নাকি জেলেই তাঁকে খুন করা হয়েছে।
সোমবার পিটিআই কর্মীরা জানান, বিগত কয়েকমাস ধরে জেলে ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। কোনও কারণ ছাড়াই তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, এভাবে নির্জন কারাগারে কাউকে আটকে রাখা অত্যন্ত অমানবিক আচরণ বলেও দাবি তাঁদের। দলীয় কর্মীদের কথায়, “কোনও সুরক্ষা ছাড়াই দিনের পর দিন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে জেলবন্দি করে রাখা হয়েছে। এটি নিষ্ঠুরতা।” এমনকী জেলে তাঁকে ন্যূনতম নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলিও দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন তাঁরা। পাশাপাশি, ইমরানের আইনজীবীদেরও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না অভিযোগ। গোটা ঘটনায় উদ্বিগ্ন দলীয় কর্মী থেকে ইমরানের পরিবারের সদস্যরা।
পিটিআই প্রধানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রি এবং অন্যান্য দুর্নীতির মামলা হয়েছে। সেই মামলায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলবন্দি ইমরান। পিটিআই প্রধানের বোন এবং তাঁর পরিবারের দাবি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে অমানবিক পরিস্থিতিতে নির্জন কারাগারে রাখা হচ্ছে। সকলেই তাঁর মুক্তি দাবি করেছে।
