যুদ্ধের হরমুজে ফের আক্রান্ত ভারতীয় ট্রলার। কাঠের ওই ট্রলারে আগুন লেগে মৃত্যু হয়েছে এক নাবিকের। ইনি গুজরাটের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার পর উদ্ধার করা হয়েছে ১৭ জনকে। আহত ৪ জনকে উদ্ধার করে দুবাইয়ের এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, গত শুক্রবার মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী জলসীমায়।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, হরমুজের নিকটবর্তী সমুদ্রপথ দিয়ে যাওয়ার সময় কোনওভাবে ওই ট্রলারে আগুন ধরে যায়। কাঠের ট্রলার হওয়ায় মুহূর্তে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়। ঘটনার অভিঘাতে উলটে যায় ট্রলারটি। ট্রলারে থাকা এক নাবিকের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি অগ্নিদগ্ধ হন আরও ৪ জন। ঘটনার সময় ওই এলাকায় থাকা অন্য একটি জাহাজ দ্রুত সেখানে এসে নাবিকদের উদ্ধার করে। জানা যাচ্ছে, ট্রলারটিতে মোট ১৮ জন ছিলেন। তবে কীভাবে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল তা এখনও স্পষ্ট নয়। অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
কাঠের ট্রলার হওয়ায় মুহূর্তে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়। ঘটনার অভিঘাতে উলটে যায় ট্রলারটি। ট্রলারে থাকা এক নাবিকের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি অগ্নিদগ্ধ হন আরও ৪ জন।
অন্যদিকে, উদ্ধার হওয়া নাবিকদের সঙ্গে শুক্রবার রাতেই যোগাযোগ করা হয় দুবাইয়ের ভারতীয় দূতাবাসের তরফে। ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে দূতাবাসের তরফে। ওই ট্রলারের মালিকের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে দূতাবাস। আহত চারজনের চিকিৎসায় যাতে কোনওরকম খামতি না থাকে সেদিকেও নজর রেখেছে দূতাবাস।
উল্লেখ্য, যুদ্ধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রেখেছে ইরান। গত ৭ এপ্রিল আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি হলেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে গোলাগুলি চালিয়েছে দুই দেশই। সম্প্রতি ইরানের তরফে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি করা হয়েছিল। এর পালটা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জনায়, তারা ইরানের হামলা রুখে দিয়েছে এবং একাধিক ইরানি নৌকা ধ্বংস করেছে। এই পরিস্থিতির মাঝেই ভারতীয় জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
