সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইরান-ইজরায়েল অশান্তির মধ্যেই তাৎপর্যপূর্ণ বিবৃতি দিল জি৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির জোট। কানাডার বার্ষিক বৈঠক থেকে আমেরিকা, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, ব্রিটেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বার্তা, 'ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকতে পারে না'। পাশাপাশি বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দেশকে সমর্থন করে বলা হয়, 'ইজরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে'। স্বভাবতই জি৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির এমন বিবৃতিতে চাপে পড়ল তেহরান।
সোমবার জি৭-এর বিবৃতিতে বলা হয়, "আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে ইজরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। আমরা তাদের সমর্থন করছি।" এইসঙ্গে বলা হয়, "ইরানের ঝামেলা মিটলে পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি ও অস্থিরতা হ্রাস পাবে। এমনকী গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে। এইসঙ্গে যোগ করা হয়, "আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই যে, ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকতে পারে না।"
প্রসঙ্গত, পরমাণু বোমা প্রায় হাতে পেয়ে যাচ্ছে ইরান, এই আশঙ্কায় গত শুক্রবার সকালে অপারেশন রাইজিং লায়ন শুরু করে তেল আভিভ। ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার লক্ষ্য করে আকাশপথে হামলা চালানো হয়। তার জেরে মৃত্যু হয় ইরান সেনার চিফ অফ স্টাফ মহম্মদ বাঘেরি, রেভোলিউশনারি গার্ডসের কমান্ডার হোসেন সালামি এবং ইরানের এমার্জেন্সি কমান্ডের কমান্ডারের। প্রাণ হারান ইরানের প্রাক্তন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানিরও। এছাড়াও পারমাণবিক গবেষণাকারী অন্তত ৬ জন বিজ্ঞানীর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে ইরান। বহু সেনাকর্মী এবং আধিকারিকেরও মৃত্যু হয় ইজরায়েলি হামলায়।
