shono
Advertisement
Mojtaba Khamenei

'ইরানে নেই মোজতবা খামেনেই', যুদ্ধের মাঝে কোথায় সুপ্রিম লিডার? প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। গুরুতর আহত হন তাঁর পুত্র মোজতবা।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:43 PM Jul 19, 2026Updated: 08:43 PM Jul 19, 2026

সংঘর্ষবিরতি শিকেয় উঠতেই নতুন করে ভয়ংকর যুদ্ধে মেতেছে আমেরিকা ও ইরান। এরইমাঝে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইজরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রকে উদ্ধৃত করে সৌদি আরবের এক সংবাদমাধ্যমের দাবি, যুদ্ধের মাঝেই ইরান ছেড়ে চলে গিয়েছেন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেই। তাঁর নামে যে বার্তাগুলি জারি করা হচ্ছে, সেগুলি আসলে ইসলামিক রিভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নতুন প্রধান আহমদ ভাহিদির।

Advertisement

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মাটিতে ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। গুরুতর আহত হন তাঁর পুত্র মোজতবা। এই ঘটনার অল্পদিন পর ইরানের নয়া সুপ্রিম লিডার হিসেবে মোজতবার নাম ঘোষণা হয়। এরপর থেকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি তাঁকে। নানা সময়ে তাঁর লিখিত বিবৃতি অবশ্য সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতির মাঝেই সৌদির সংবাদমাধ্যম আল-হাদাতের যে রিপোর্ট সামনে এসেছে সেখানে দাবি করা হয়েছে, ইরানেই নেই মোজতবা। যুদ্ধের মাঝে তাঁকে দেশ থেকে অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলা হয়ে থাকতে পারে। তাঁর নামে যে সব বার্তা জারি করা হচ্ছে সেগুলিও ভাঁওতা।

এতদিন ধরে মোজতবা খামেনেইয়ের নামে যেসব বিবৃতি জারি করা হচ্ছে তা মজতবার নয়। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের নতুন প্রধান আহমদ ভাহিদি এগুলি তৈরি করছেন।

সৌদির ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি, এতদিন ধরে মোজতবা খামেনেইয়ের নামে যেসব বিবৃতি জারি করা হচ্ছে তা মজতবার নয়। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের নতুন প্রধান আহমদ ভাহিদি এগুলি তৈরি করছেন। সেগুলি বাজারে ছড়ানো হচ্ছে। এর সঙ্গে মোজতবার কোনও সম্পর্ক নেই। তবে ইরান থেকে সরিয়ে সুপ্রিম লিডারকে ঠিক কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে অবশ্য স্পষ্ট করে কিছুই জানানো হয়নি। ইরানেই তরফেও এই দাবি সত্যতা নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

শুধু তাই নয় ওই সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইরানের মধ্যে আভ্যন্তরীণ কোন্দল চরম আকার নিয়েছে। কট্টরপন্থী দলগুলো বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটানোর অভিযোগ করছে। তাদের অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি দেশের স্বার্থ ও সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশকে উপেক্ষা করে তৈরি করা হয়। আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়। যুদ্ধবিরতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচিকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। তাঁকে বিশ্বাসঘাতক বলে স্লোগান দেয় জনতা। আরও দাবি করা হয়েছে, মোজতবার অনুপস্থিতিতে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘাচি যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement