shono
Advertisement
Mojtaba Khamenei

খোঁজ মিলছে না খামেনেই-পুত্রের! ইরানে কি ক্ষমতাচ্যুত নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল এবং আমেরিকার হামলায় মৃত্যু পিতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তার পর ইরানের নয়া সুপ্রিম লিডার হন মোজতবা। ইজরায়েল এবং আমেরিকার গোয়েন্দাদের সূত্রের দাবি, হামলায় মোজতবা আহত হলেও তিনি বেঁচে রয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে ক্ষমতাচ্যুতও করা হয়েছে। এই মুহূর্তে ইরানকে নিয়ন্ত্রণ করছে সে দেশের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 02:02 PM Mar 22, 2026Updated: 02:02 PM Mar 22, 2026

চতুর্থ সপ্তাহে পড়েছে ইরান যুদ্ধ। কিন্তু এখনও একবারও প্রকাশ্যে দেখা যায়নি সে দেশের নয়া সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনেইকে। মৃত্যু জল্পনার মধ্যেই এবার নয়া তথ্য সামনে এল। সূত্রের দাবি, মোজতবা বেঁচে আছেন কিন্তু তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘জেরুজালেম পোস্ট’ দু’টি সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, বর্তমানে ইরানকে পরিচালনা করছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস। এদিকে ইরানের নয়া সুপ্রিম লিডারকে হত্যা করতে তাঁকে তন্ন তন্ন করে খুঁজছে ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ।

Advertisement

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল এবং আমেরিকার হামলায় মৃত্যু পিতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। তার পর ইরানের নয়া সুপ্রিম লিডার হন মোজতবা। ইজরায়েল এবং আমেরিকার গোয়েন্দাদের সূত্রের দাবি, হামলায় মোজতবা আহত হলেও তিনি বেঁচে রয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে ক্ষমতাচ্যুতও করা হয়েছে। এই মুহূর্তে ইরানকে নিয়ন্ত্রণ করছে সে দেশের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস। এদিকে যুদ্ধের মধ্যেই গোপন ডেরা থেকে বেশ কয়েকবার বার্তা দিয়েছেন মোজতবা। তবে মার্কিন এবং ইজরায়েলি কর্তাদের দাবি, মোজতবা যে ইরানকে শাসন করছেন, তার কোনও প্রমাণ নেই। তেহরানকে কে নির্দেশ দিচ্ছেন? তাঁদের মতে, খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর গোটা রাশটাই ছিল সে দেশের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানির হাতে। কিন্তু তিনিও নিহত হয়েছেন। এখন ইরানকে নিয়ন্ত্রণ করছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস। 

এদিকে কুয়েতি সংবাদমাধ্যম আল-জারিদার সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মোজতবা আহত। তিনি রাশিয়ায় চিকিৎসাধীন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোজতবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন পুতিন। সম্প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। শুধু তা-ই নয়, মোজতাবাকে যাতে রাশিয়ায় এনে চিকিৎসা করানো হয়, তার জন্য ব্যাক্তিগতভাবে প্রস্তাব দেন পুতিন। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি রুশ যুদ্ধ বিমানে করে মস্কোতে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ইরানের নয়া সুপ্রিম লিডারকে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে রাশিয়া এই দাবিতে সিলমোহর না দিলেও অস্বীকারও করেনি। পুতিনের প্রেস সচিব দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “আমরা এ ধরনের প্রতিবেদন নিয়ে কোনও মন্তব্য করি না।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement