অব্যাহত ভারত-বিরোধিতা। বৃহস্পতিবার মুজাফ্ফরবাদে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সংসদে দাঁড়িয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করলেন, পাকিস্তানের অংশ হবে কাশ্মীর। পাশাপাশি, তিনি জানান, কাশ্মীরের প্রতি পাকিস্তানের অঙ্গীকার তার প্রতিষ্ঠার মূল নীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।
বৃহস্পতিবার শাহবাজ বলেন, “শীঘ্রই পাকিস্তানের অংশ হবে কাশ্মীর। আমাদের দেশের প্রতিষ্ঠাতা মহম্মদ আলি জিন্না কাশ্মীরকে পাকিস্তানের জীবনরেখা হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর আদর্শই আমাদের বিদেশ নীতির ভিত্তি। কাশ্মীরে আমরা শান্তি চাই। কিন্তু এই শান্তি একমাত্র সমতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।” পাক প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “কাশ্মীরের জনগণের ইচ্ছাকে সম্মান এবং রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করার মাধ্যমেই জম্মু ও কাশ্মীরের সমস্যার সমাধান সম্ভব।”
ভারতের আপত্তি উড়িয়ে কাশ্মীর সংহতি দিবস আবার পালন করেছে পাকিস্তান। তা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে বিড়ম্বনায় পড়েছে পাক সরকার। বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা হিংসা, হানাহানি, নিপীড়নের ঘটনা ঢাকতেই এই দিনটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে - এই অভিযোগ তুলে বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন প্রবাসী কাশ্মীরিরা। শামিল হয়েছেন পাক নাগরিকদের একাংশও। পাক সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান উঠেছে, ‘সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করুন’।
প্রসঙ্গত, শাহবাজের দাদা নওয়াজ শরিফ সে দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকার সময়ে ১৯৯১ সালে এই দিনটির সূচনা করেন। প্রতি বছর ৫ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীর সংহতি দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানের সমস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকে। সাম্প্রতিক অতীতে দেখা গিয়েছে, এই বিশেষ দিনটিকে ভারত বিরোধী প্রচারের কাজে ব্যবহার করেছেন সে দেশের রাজনীতিকরা। এ বারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
