একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেণ সব যুদ্ধের ট্রিগার হয়ে দাঁড়িয়ে পরমাণু বোমা। পরমাণু যুদ্ধের সম্ভাবনার মাঝেই এবার বিশ্বের দুই যুযুধান আমেরিকা এবং রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্রের রেসের মুখে দাঁড়িয়ে।
রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শেষ পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তির মেয়াদ বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথমবার দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রাগারের উপর কোনও সীমা রইলো না। নিউ স্টার্ট চুক্তির অবসান একটি অবাধ পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মঞ্চ তৈরি করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা।
যদিও, গত বছর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন ওয়াশিংটন চাইলে আরও একবছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির বিধিনিষেধ মানতে রাজি। কিন্তু, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবে খুব বেশি আগ্রহ দেখাননি। আমেরিকার দাবি ছিল চিন এই চুক্তিতে যুক্ত হোক। যদিও, চিন এই প্রস্তাবে পাত্তা দেয়নি।
রাশিয়া জানিয়েছে, চিনের সঙ্গে তারা এই প্রসঙ্গে আলোচনা করেছে এবং আমেরিকা তাঁদের প্রস্তাবের কোনও উত্তর দেয়নি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, রাশিয়া নিরাপত্তা পরিস্থিতির পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে ভারসাম্যপূর্ণ এবং দায়িত্বশীলভাবে কাজ করবে।
২০১০ সালে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং তার রাশিয়ান পেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ স্বাক্ষরিত নতুন স্টার্ট চুক্তিতে উভয় পক্ষকে ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। এটির মেয়াদ ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও আরও পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানো হয়।
