গত বছরের শেষদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের পর প্রথমবারের জন্য ভারত সফরে এসেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফের নয়াদিল্লি আসতে পারেন তিনি। সেই সময় এদেশে আয়োজিত হবে ব্রিকস সম্মেলন। আর সেই সম্মেলনে যোগ দিতেই এদেশে আসবেন তিনি। ক্রেমলিনের তরফে এই খবরকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত কয়েক বছরে ব্রিকস ক্রমশই আড়ে বহড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত ছাড়াও এই গোষ্ঠীতে রয়েছে ব্রাজিল, রাশিয়া, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এই গোষ্ঠীটি শাসনব্যবস্থা সংস্কার, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের অগ্রাধিকার-সহ বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলিতে সমন্বয়ের একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করে।
এদিকে ব্রিকসকে একেবারেই পছন্দ করেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আসলে তাঁর দাবি, ডলারকে গুরুত্বহীন করে অন্য কোনও দেশের মুদ্রাকে সেই জায়গাটা দিতে চাইছে ব্রিকস। ডলারের অবক্ষয় ঘটানোর এই ‘প্রয়াস’ নিয়ে তোপ দাগতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ডলারের বৈশ্বিক মর্যাদা সংরক্ষণে যেমন তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তেমনই আমেরিকায় কখনও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কে ডিজিটাল মুদ্রাও তৈরি হতে দেবেন না। কিন্তু ট্রাম্পের যাবতীয় হুঙ্কারের পরও টলানো যায়নি ব্রিকসকে। এবছর ফের বসতে চলেছে সম্মেলন।
গত কয়েক বছরে ব্রিকস ক্রমশই আড়ে বহড়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত ছাড়াও এই গোষ্ঠীতে রয়েছে ব্রাজিল, রাশিয়া, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।
যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও ভারতকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বরাবরের 'বন্ধু' রাশিয়া। মস্কো আগেই জানিয়েছে, তারা ভারতের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। ভারতের জ্বালানি সরবরাহে কোনও সমস্যা হলে রাশিয়া সেই চাহিদা পূরণ করতে তৈরি রয়েছে। এরই মধ্যে র্য়টার্স দাবি করছে, ভারতের জলসীমার আশপাশে পণ্যবাহী জাহাজের একটি বহর রয়েছে। তবে সেই নৌবহরে সব মিলিয়ে প্রায় ৯৫ লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। ভারত চাইলেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ওই নৌবহর ভারতে তেল পৌঁছে দেবে। ব্রিকস সম্মেলনে পুতিন এলে তারই ফাঁকে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে। সেই সময়ও তাঁদের মধ্যে দুই দেশের বাণিজ্য থেকে প্রতিরক্ষা- নানা খাতে দীর্ঘ আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
