shono
Advertisement

Breaking News

Japan

'সন্দেহ নেই, আমিই একাজ করেছি', শিনজো আবে হত্যার দায়স্বীকার, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যুবকের

২০২২ সালে জাপানের নারা শহরে সভা চলাকালীন খুন হন শিনজো আবে। সাড়ে তিন বছর পর শেষ হল বিচারপ্রক্রিয়া।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 12:14 PM Jan 21, 2026Updated: 12:18 PM Jan 21, 2026

কোনও ভনিতা নয়, আত্মপক্ষ সমর্থনের চেষ্টাও নয়। ধরা পড়তেই নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছিল আততায়ী। সাড়ে তিন বছর আগে জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সেই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল জাপানের আদালত। বুধবার তেতসুয়া ইয়ামাগামি নামে ওই আততায়ীর সাজা ঘোষণার সময় আদালতে প্রচুর মানুষ জমায়েত করেন। সকলেই জানতে আগ্রহী ছিলেন একটি বিষয়ে, দেশের সবচেয়ে বেশি সময়ের প্রধানমন্ত্রীকে জনসমক্ষে হত্যাকারীর কী সাজা হয়। কারণ, এনিয়ে দেশের জনতা দ্বিধাবিভক্ত ছিল। শেষমেশ অবশ্য আদালত আততায়ীকে সারাজীবন জেলের অন্দরে রাখার নির্দেশই দিল।

Advertisement

আততায়ী তেতসুয়া ইয়ামাগামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

২০২২ সালের জুলাই মাসে জাপানের নারা শহরে একটি জনসভায় গিয়েছিলেন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। সেখানেই আততায়ীর গুলিতে রক্তাক্ত হয়ে লুটিয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও প্রাণে বাঁচানো যায়নি। মৃত্যু হয় ৫৮ বছর বয়সি শিনজো আবের। এই হত্যাকাণ্ডে কার্যত কেঁপে গিয়েছিল গোটা জাপান। সাম্প্রতিককালে এমন হাড়হিম ঘটনার সাক্ষী থাকেনি এদেশ। আবে জাপানের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে কে বা কারা জনসভার মাঝে হত্যা করল, তা নিয়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। গ্রেপ্তার করা হয় তেতসুয়া ইয়ামাগামি নামে বছর ৪৫-এর একজনকে। গোড়াতেই সে অপরাধ কবুল করে জানায়, সন্দেহাতীতভাবে সে-ই এই কাজ করেছে। জানা যায়, হোমমেড বন্দুক থেকে দুটি গুলি ছুড়েই কাজ হাসিল করেছিল তেতসুয়া।

২০২২ সালের জুলাইয়ে নারা শহরে আবের জনসভা। ফাইল ছবি

২০২২ সালের জুলাই মাসে জাপানের নারা শহরে একটি জনসভায় গিয়েছিলেন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। সেখানেই আততায়ীর গুলিতে রক্তাক্ত হয়ে লুটিয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও প্রাণে বাঁচানো যায়নি। মৃত্যু হয় ৫৮ বছর বয়সি শিনজো আবের।

২০২৫ সালে এই হত্যামামলার শুনানিতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েও তেতসুয়া একই কথা বলে। তার কী সাজা হবে, এনিয়ে জাপানের আমজনতা দ্বিধাবিভক্ত ছিল। শোনা যাচ্ছিল, তেতসুয়ার মায়ের সঙ্গে ইউনিফিকেশন চার্চের যোগ নিয়ে তীব্র বিদ্বেষের জেরেই তার এই কাজ। কারণ, শিনজো আবেও ছিলেন এই চার্চের সদস্য। ঘৃণা, প্রতিশোধ এসব থেকেই আবের হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে সে। কেউ কেউ তেতসুয়ার পারিবারিক ও মানসিক অশান্তির কারণে তার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। কিন্তু দেশের জনপ্রিয়তম প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের জন্য অনেকেই চাইছিলেন, তেতসুয়ার কঠোরতম শাস্তি হোক। বুধবার আবের আততায়ীকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করায় স্বস্তিতে জাপানবাসী।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement