গত বছর ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন মাচাদো। মাদুরোকে আমেরিকা অপহরণ এবং বন্দি করতেই নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারও মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান মাচাদো। এবার সেই 'শান্তি পুরস্কার' প্রাপকের সঙ্গে দেখা হল চতুর্দশ পোপ লিও-র। সোমবার নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তাহলে কী ট্রাম্পের মদতে দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্যই পোপের সঙ্গে সাক্ষাৎ মাচাদোর? এই আবহে প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে সাক্ষাতের মধ্যে কোন রাজনীতি রয়েছে, সেদিকে নজর বিশেষজ্ঞদের।
লিওর সঙ্গে আগে থেকে সাক্ষাতের পরিকল্পনা ছিলনা মাচাদোর। এই সাক্ষাৎ পরে ভ্যাটিকান তাদের দৈনিক বুলেটিনে যোগ করে। যদিও, এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি বুলেটিনে। ডিসেম্বরে নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর মাচাদো ইউরোপ এবং আমেরিকায় সফর করছেন।
আগামী সপ্তাহে আমেরিকা যাচ্ছেন মাচাদো। সেখানেই হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকের আগেই দেখা হল পোপের সঙ্গে। যদিও, ভেনেজুয়েলার উপরে মার্কিন আগ্রাসনের নিন্দা করেছেন প্রথম মার্কিন পোপ লিও।
মার্কিন বাহিনীর হাতে মাদুরোর অপহরণের পরে ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের পক্ষে সওয়াল করেছেন পোপ নিজে। লিও বলেন, ভেনেজুয়েলার দিকে নজর রাখছেন তিনি। সেকাহ্নকার অবস্থা নিয়ে তিনি 'গভীরভাবে চিন্তিত'। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশে সামাজিক সুরক্ষা এবং মানবাধিকার রক্ষার পক্ষে সওয়াল করেন পোপ।
অন্যদিকে ট্রাম্প এবং মাচাদো দু'জনেই সরাসরি মাদুরোর বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের দু'জনেরই দাবি, ভেনেজুয়েলাকে রসাতলে নিয়ে যাচ্ছেন মাদুরো। ট্রাম্প তাঁর বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালানের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরোর অপহরণের পরে ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল ভাগ করে নেওয়ারও আবেদন জানান মাচাদো। এই অবস্থায় পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
