ব্রিকস সম্মেলনে (BRICS Summit 2026) বলিউডি তড়কা এনে দিয়েছিলেন তিনি। সামিট শেষে দেশে ফিরলেও বলিউডের জাদুতে মজে রয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। রবিবার শীর্ষ সম্মেলনের পর দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপ্রধানরা। ব্রিকস নিয়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে অনেকেই। কিন্তু মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মতো বলিউডি ধামাকা দেখাতে পারেননি কেউই। রীতিমতো চর্চা চলছে আনোয়ারের ইনস্টাগ্রাম নিয়ে।
ভারত মণ্ডপমে প্রত্যেক রাষ্ট্রপ্রধানকে স্বাগত জানিয়েছেন মোদি স্বয়ং। সেই ভিডিও পোস্ট করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ব্যবহার করেছেন বলিউডের অন্যতম আইকনিক গান, 'দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে' ছবি থেকে 'তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সনম'। মোদির সঙ্গে আরেকটি ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডেও রয়েছে শাহরুখ খান অভিনীত 'দিল তো পাগল হ্যায়' ছবির টাইটেল ট্র্যাক। ব্রিকস চলাকালীন নিজের কার্যকলাপের বেশ কিছু ছবিও পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে। তার জন্য ব্যবহার করেছেন 'হর দিল যো প্যায়ার করেগা' ছবির টাইটেল ট্র্যাক।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবিতে 'লগানে'র 'চলে চলো', ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেস্কিয়ানের জন্য 'নয়া দওর' ছবির 'সাথি হাত বাঁধনা'-একের পর এক বলিউড গানের মাধ্যমে ব্রিকস সম্মেলনকে স্মরণীয় করে রেখেছেন এই রাষ্ট্রপ্রধান। সামিটের ফাঁকেই তিনি গিয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বাড়িতে। সেই সাক্ষাতের ছবিতে ব্যবহার করেছেন 'বীর জারা' ছবির 'অ্যায়সা দেশ হ্যায় মেরা' গানটি।
সামিটের প্রথম দিনেই আনোয়ারের বলিউডপ্রীতির কথা জানা গিয়েছিল। গালা ডিনারে পিয়ানোর সুরে তিনি গেয়ে ওঠেন কিশোর কুমারের অনবদ্য সৃষ্টি 'খোয়াব হো তুম ইয়া কোয়ি হকিকত' গানটি। ২০২৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে ইব্রাহিমকে এই গানটিই গাইতে শোনা গিয়েছিল। ১৯৬৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তিন দেবিয়াঁ’ ছবিতে শচীন দেববর্মনের সুরে এই গানটি গেয়েছিলেন কিশোর কুমার। যা আজও একই রকম জনপ্রিয়, কিশোরের অসংখ্য সুপারহিট গানের মতোই। তবে ব্রিকসের পর স্রেফ কিশোর কুমার নয়, গোটা বলিউডেরই 'জাবরা ফ্যান' হয়ে গিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী।
