সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি নিয়ে চর্চা থামার নাম নেই। দ্বিতীয়বার মার্কিন মুলুকের মসনদে বসার পর থেকেই অভিবাসন নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। দলে দলে অবৈধ অভিবাসীকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছেন তিনি। এরপরে তাঁর নজর ঘুরেছে বৈধ অভিবাসন কমানোর দিকে। এবার সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। এক মার্কিন অভিবাসন আইনজীবীর দাবি, মার্কিন নাগরিকত্ব পেতে হলে গ্রিন কার্ড থাকাই যথেষ্ট নয় আর।
বলে রাখা ভালো, গ্রিন কার্ড থাকলেই কেউ পুরোপুরি মার্কিন নাগরিকত্ব পান না। কিন্তু বহু সুযোগ-সুবিধা পান যা একজন আমেরিকান পান। আর এই গ্রিন কার্ড পাওয়ার একটা সহজ উপায় হল কোনও মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করা। অর্থাৎ স্ত্রী বা স্বামী আমেরিকান হলেই মিলে যেত গ্রিন কার্ড। এখন আর পরিস্থিতি তেমন নেই। ব্র্যাড বার্নস্টাইন নামের সেই আইনজীবী বলছেন, মার্কিন নাগরিকদের 'ঘনিষ্ঠ আত্মীয়' হলেই গ্রিন কার্ড পাওয়া যেত এতদিন। আর সেক্ষেত্রে কোনও মার্কিনকে বিয়ে করলেই চলত। কিন্তু এখন? বার্নস্টাইনের কথায়, ''কোনও সম্পর্কে থাকলেই আপনি গ্রিন কার্ড পাবেন না। একসঙ্গে থাকতে হবে। তাহলেই গ্রিন কার্ড পাওয়া যাবে।'' তাঁর দাবি, যদি ওই দম্পতিরা আলাদা থাকেন তাহলে সেক্ষেত্রে গ্রিন কার্ডের আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা সমূহ। সেক্ষেত্রে তাঁরা এক বাড়িতে না থাকলে কিন্তু কার্ড না পাওয়ার তুমুল সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, এতদিন প্রতি বছর ৫০ হাজার অভিবাসীকে ভিসা দেওয়া হত, যাঁদের দেশ থেকে বেশি অভিবাসী আমেরিকায় আসেন না। কিন্তু সেই লটারি ইতিমধ্যেই বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে ট্রাম্পের আমলে অভিবাসীদের নাগরিকত্ব পাওয়ার দিকটি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।
