shono
Advertisement
Hormuz

গুলির শব্দে কাঁপল হরমুজ! নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে প্রণালী পেরতে গিয়ে হামলার শিকার ২ জাহাজ

হরমুজ পেরনোর পথে শনিবার এমনটাই দাবি করেছে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ। তবে কে বা কারা জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে সে বিষয়ে বিশদে কিছুই জানা যায়নি।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:40 PM Apr 18, 2026Updated: 05:01 PM Apr 18, 2026

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই ফের হরমুজে তালা ঝুলিয়েছে ইরান। এই অবস্থায় হরমুজ পেরতে গিয়ে এলোপাথাড়ি গুলির মুখে পড়ল দু'টি জাহাজ। হরমুজ পেরনোর পথে শনিবার এমনটাই দাবি করেছে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ। তবে কে বা কারা জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে, হামলায় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিশদে কিছুই জানা যায়নি।

Advertisement

হরমুজকে কেন্দ্র করে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে আমেরিকার ও ইরানের। বৃহস্পতিবার ইজরায়েল এবং লেবাননের মধ্যে দশদিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তারপরই শুক্রবার সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। এরপরই সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান হরমুজ প্রণালী স্থায়ীভাবে খুলে দিতে প্রস্তুত। ওরা আর এটা বন্ধ করবে না, এবং এই প্রণালীকে বিশ্বের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে না।’ তবে ইরান হরমুজ খুলে দিলেও আমেরিকা অবরোধ জারি রাখবে বলে জানায়। এর পালটা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড একটি বিবৃতিতে জানায়, ওয়াশিংটন তাদের প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হয়েছে। ইরান হরমুজ খুলে দেওয়া সত্ত্বেও আমেরিকা ওই জলপথে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যতক্ষণ না পর্যন্ত ইরানগামী সমস্ত জাহাজের অবাধ চলাচল আমেরিকা নিশ্চিত করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত হরমুজ বন্ধই থাকবে।

শনিবার দুটি পণ্যবাহী জাহাজের তরফে জানানো হয়েছে, তারা হরমুজ পার করার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাদের উপর গুলি চালানো হয়েছে।

এরপরই সামনে এসেছে পণ্যবাহী জাহাজের উপর হামলার ঘটনা। শনিবার দুটি পণ্যবাহী জাহাজের তরফে জানানো হয়েছে, তারা হরমুজ পার করার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাদের উপর গুলি চালানো হয়েছে। পণ্যবাহী জাহাজের পাশাপাশি সামুদ্রিক নিরাপত্তা বিভাগ-সহ তিনটি সূত্র থেকে এই তথ্য সামনে এসেছে। এই হামলার দায় এখনও পর্যন্ত কেউ না নিলেও অনুমান করা হচ্ছে, ইরানের তরফেই এই হামলা চলেছে। এই ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়েও বিশদে কিছুই জানা যায়নি।

এদিকে সব ঠিকঠাক থাকলে সোমবার ইসলামাবাদে বসতে চলেছে ইরান-আমেরিকার দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা। সেক্ষেত্রে রবিবারই পাকিস্তানে পৌঁছে যেতে পারেন দুই পক্ষের প্রতিনিধি দল। শোনা যাচ্ছে, এবারের বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্টও। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই যুদ্ধ নিয়ে আলাদা করে আলোচনা সেরে ফেলেছে তিন মধ্যস্থতাকারী দেশ-কাতার, তুরস্ক এবং পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ নিয়ে ফের জটিলতা সৃষ্টি হল। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠকের আগে এই খবর অত্যন্ত নেতিবাচক। আদৌ দু’পক্ষ সমঝোতায় আসতে পারবে কি না সেটাই বড় প্রশ্ন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement