প্রথম দফার শান্তি বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার অন্যতম কারণ ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর হস্তক্ষেপ। সম্প্রতি এমনটাই অভিযোগ তুলেছিল ইরান। এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদে আনুষ্ঠিত হচ্ছে দ্বিতীয় দফার বৈঠক। তার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খোঁচা দিল তেহরান। বলল, “নেতানিয়াহুকে ব্লক করে আপনি শান্তিতে ঘুমোন।” অর্থাৎ এটা স্পষ্ট যে, ইরান-আমেরিকার আলোচনায় এবার নেতানিয়াহুর নাক গলানো কোনও ভাবেই মেনে নেবে না তেহরান।
শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খোঁচা দিয়ে জিম্বাবোয়ের ইরানি দূতাবাস একটি পোস্ট করে। সেখানে তারা লেখে, ‘আপনি খুব বেশি খুশি হবেন না, নিজের মর্যাদা ধরে রাখুন। ইরান কিংবা হরমুজে শক্তি প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন। আমরা সমস্ত সমস্যার সমাধান করে দেব। সর্বশেষ বিষয় হল, নেতানিয়াহুকে ব্লক করে ফোন বন্ধ করে দিন, রাতে হালকা কাবারব খান এবং ঘুমিয়ে পড়ুন।’ ইরানের এই খোঁচা নিয়ে ওয়াশিংটন এখনও মুখ খোলেনি।
প্রসঙ্গত, প্রথম শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর নেতানিয়াহুর দিকেই আঙুল তুলেছিল ইরান। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেন, বৈঠক চলাকালীন মার্কিন উপ রাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্সকে ফোন করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। ওই একটি ফোনই আলোচনার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিয়েছিল। গোটা প্রক্রিয়াটিকে ইজরায়েল নিজের স্বার্থের দিয়ে সরিয়ে নিয়ে যায়। তাতে রাজিও হয়ে যায় আমেরিকা। তাঁর আরও দাবি, আমেরিকা যুদ্ধের মাধ্যমে যা অর্জন করতে পারেনি, তা আলোচনার টেবিলে অর্জন করার চেষ্টা করেছিল। আরাঘচি বলেন, “ইরান সদিচ্ছা নিয়েই আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছিল। কিন্তু আমেরিকার প্রথম থেকেই সদিচ্ছা ছিল না। তারা বৈঠকটিকে অপ্রয়োজনীয় মনে করছিল। আমরা আমাদের দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
