আমেরিকায় একের পর এক বিজ্ঞানীর রহস্যমৃত্যু (US Scientist Death) নিয়ে তোলপাড় চলছে। এই নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এবার নজরে এক তরুণী পরমাণু বিজ্ঞানীর মৃত্যু। যদিও তিনি প্রয়াত হয়েছিল ২০২২ সালে। কিন্তু নতুন করে নজরে সেই মৃত্যু।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'দ্য মিরর'-এর সূত্রে জানা যাচ্ছে, অ্যামি এসক্রিজ ২০২১ সালের ১১ জুন মারা যান। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৪! স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, তিনি নিজের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করেছিলেন। সেই ক্ষত থেকেই মৃত্যু হয় তাঁর। কিন্তু এই বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্যই লভ্য নয়। এদিকে এই মৃত্যুকে ধরলে গত কয়েক বছরে সব মিলিয়ে পরমাণু বিজ্ঞানীদের রহস্যমৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১।
অ্যামি এসক্রিজ ২০২১ সালের ১১ জুন মারা যান। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩৪! স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, তিনি নিজের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করেছিলেন।
এসক্রিজ মহাকর্ষ-বিরোধী প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছিলেন। এমন একটি ক্ষেত্র, যা মহাকাশ ভ্রমণ এবং শক্তি ব্যবস্থা, উভয়ের উপরই যার সম্ভাব্য প্রভাব রয়েছে। ২০২০ সালে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, নাসার অনুমোদন সাপেক্ষে তিনি এই বিষয়ের ওপর তাঁর মৌলিক গবেষণা কর্ম উপস্থাপন করছেন। কিন্তু বছর দুয়েক যেতে না যেতেই প্রয়াত হন তিনি।
২০২২ সাল থেকে ধরলে অন্তত ১০, সম্ভবত ১১ জন বিজ্ঞানী ‘অদৃশ্য’ হয়ে গিয়েছেন আমেরিকা থেকে। এঁরা সকলেই পরমাণু, মহাকাশবিজ্ঞানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করতেন। জানা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে কেউ মারা গিয়েছেন, কেউ বা নিখোঁজ হয়েছেন। এই রহস্য ঘিরে ঘনাচ্ছে কুয়াশা। হোয়াইট হাউস সম্প্রতি জানিয়েছে, এখনও সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে তারা কোনও কথা বলেনি। তবে অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
তবে তিনি এমন বললেও প্রশ্ন উঠছে, কেন এতদিন এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রশাসনের নজরেই আসেনি! আসলে এই বিষয়টি পুরোটাই মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পৃক্ত। লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি, নাসার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরির মতো সংস্থার বিজ্ঞানীরা নিখোঁজ হয়েছেন। এই সব স্থানেই পারমাণবিক অস্ত্রের মতো বিষয় নিয়ে গবেষণা চলে। সেখানেই এমন ঘটা মানে নানা ধরনের বিপদের আশঙ্কা থেকেই যায়। যার মধ্যে প্রধান আশঙ্কা অবশ্যই গবেষণার তথ্য ফাঁসের।
