ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনেই কাছাকাছি এসেছে আমেরিকা-পাকিস্তান। গত পাকিস্তানের সেনা সর্বাধিনায়ক আসিম মুনির ওয়াশিংটন সফরে যান। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকও করেন। এবার ইসলামাবাদ এবং মুনিরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। বলেন, “পাকিস্তানই হল আসল বন্ধু।”
শনিবার সিঙ্গাপুরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন হেগসেথ। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “ট্রাম্প পাক নেতৃত্বের সঙ্গে একটি প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন এবং দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রচেষ্টায় গঠনমূলক ভূমিকা পালনের জন্য ইসলামাবাদকে কৃতিত্বও দিয়েছেন।” তিনি আরও বলেন, “মুনির এবং পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ভালো কাজ করছেন। ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রেও তারা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।” ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদের উষ্ণ সম্পর্ককে ‘একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা’ আখ্যা দিয়ে হেগসেথ বলেন, “দু’দেশের সম্পর্ক ক্রমশ হয়ে উঠছে।” একইসঙ্গে তিনি পারমাণবিক শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি স্থাপনে মধ্যস্থতা করার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
ভারত-পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সম্পর্কেও প্রশ্ন করা হলে হেগসেথ বলেন, "দুই দেশকে আমেরিকা কোনও হুমকি হিসাবে দেখে না। ভারত-পাকিস্তান উভয়ই নিরাপত্তা উদ্বিগ্ন। ফলে তারা কৌশলগত প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে তোলা অব্যাহত রাখবে।" অন্যদিকে, নয়াদিল্লিকেও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব। ভারত-ওয়াশিংটনের কৌশলগত অংশীদারিত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি নয়াদিল্লিকে দক্ষিণ এশিয়ার "একটি গুরুত্বপূর্ণ নোঙর" হিসাবে বর্ণনা করেছেন। পাশাপাশি, ভারতের সামরিক শক্তিরও প্রশংসা করেছেন তিনি।
