চলতি সপ্তাহে হরমুজ প্রণালীতে চিন থেকে আসা একটি ইরানি জাহাজকে আটকায় মার্কিন নৌসেনা। ওই জাহাজে মিলেছে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির রাসায়নিক। এর থেকে প্রমাণিত--- গোপনে তেহরানকে সমারিক সাহায্য করছে বেজিং। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অন্যতম সঙ্গী রিপাবলিকান নেত্রী নিকি হেলি (Nikki Haley)। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি প্রকাশ্যে আমেরিকা-চিনা বিবাদ দেখা যাবে?
এক্স হ্যান্ডেলে নিকি লিখেছেন, চলতি সপ্তাহেই হরমুজ প্রণালীতে আমেরিকা যে জাহাজটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে "সেটি চিন থেকে ইরানের দিকে যাচ্ছিল। ওই জাহাজের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য রাসায়নিক চালান করা হচ্ছিল। মার্কিন নৌসেনা সেটিকে থামানোর চেষ্টা করলেও বারবার জাহাজটি আদেশ অমান্য করে।" হেলির বক্তব্য, চিন যে ইরানকে সামরিক সাহায্য করছে, সেই সম্ভাবনাকে আর উপেক্ষা করা যাবে না। কার্যত ইরানের বর্তমান শাসকদের সমর্থন যোগাচ্ছে বেজিং।
এদিকে তাদের জাহাজ আটকানোর বিষয়টিকে আমেরিকার “সশস্ত্র জলদস্যুতা” আখ্যা দিয়েছে ইরান। পালটা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। উল্লেখ্য, ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফায় মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে শান্তিবৈঠকে বসার কথা রয়েছে তেহরানের। তার আগে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌ অবরোধ এবং ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি তুসকা আটকানোর ঘটনাটিকে ভালোভাবে নেয়নি আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর দেশ।
