হরমুজে ফের আক্রান্ত তেলবাহী ট্যাঙ্কার। ইরানের পেতে রাখা নৌ মাইনের সংস্পর্শে আসায় ব্যাপক বিস্ফোরণের কবলে পড়ল আরও এক জাহাজ। সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে ইরানের সংবাদসংস্থা তাসনিম নিউজ। যদিও ইরান প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। হরমুজে নৌচলাচলের পথে এই ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
রবিবার ইরানের ওই সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, তেলবাহী ওই ট্যাঙ্কারটি ইরানের নির্ধারিত নিরাপদ নৌপথ ছেড়ে অন্য পথে ঢুকে পড়েছিল। যার জেরে পেতে রাখা নৌ মাইনের সংস্পর্শে আসে সেটি। যার জেরে বড়সড় বিস্ফোরণের মুখে পড়ে জাহাজটি। যদিও এই ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হতাহতের বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।
তেলবাহী ওই ট্যাঙ্কারটি ইরানের নির্ধারিত নিরাপদ নৌপথ ছেড়ে অন্য পথে ঢুকে পড়েছিল। যার জেরে পেতে রাখা নৌ মাইনের সংস্পর্শে আসে সেটি।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথ অভিযান চালালে হরমুজ বন্ধ করে ইরান। কঠোর ভাবে হরমুজে নৌ চলাচল বন্ধ করতে প্রণালীর বিভিন্ন জায়গায় জলমাইন স্থাপন করেছিল আইআরজিসি। পরবর্তীতে ইরানের তরফে জানানো হয়, ঠিক কোন কোন জায়গায় মাইন বসানো হয়েছিল তা এখন শনাক্ত করতে পারছে না তারা।
হরমুজের পাশাপাশি ইউক্রেনের ওডেসা বন্দরে ফের হামলার শিকার হয়েছে ভারতীয় নাবিক বোঝাই জাহাজ। ঘটনায় নিখোঁজ দুই ভারতীয় নাবিক। কিয়েভের ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, আক্রান্ত বাণিজ্যতরীটির নাম ‘এজিএন র্যাগনার’। জাহাজটি ওডেসা বন্দরে নোঙর করা ছিল। সেই সময় জাহাজটিতে আছড়ে পড়ে ক্ষেপণাস্ত্র। বাণিজ্যতরীটিতে মোট ৪ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। কিন্তু হামলার পর দু’জনের কোনও পাওয়া যাচ্ছে না। বাকি দু’জন সুরক্ষিত রয়েছেন। নিখোঁজ দুই ভারতীয়র খোঁজে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তল্লাশি। কিন্তু কে এই হামলা চালাল? এর নেপথ্যে কি রয়েছে ফের রাশিয়া? তা এখনও স্পষ্ট নয়। দূতাবাস জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগে রাখছে এবং পরিস্থিতির উপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে।
