ইসলামাবাদ থেকে ফেরার পথে ইরানের প্রতিনিধি দলের বিমান আগলে রেখেছিল প্রায় ২ ডজন পাক যুদ্ধবিমান। তার মূল কারণ ছিল - ইজরায়েলি হামলার আশঙ্কা। তিনটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে জনানো হয়েছে, স্থানীয় সময়ে রবিবার সকালে বৈঠক শেষে যখন ইরানের প্রতিনিধি দল পাকিস্তান ছাড়ে তখন নিরাপত্তার বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয় তাঁদের। মোতায়েন করা হয় প্রায় দু'ডজন পাক যুদ্ধবিমান। গোটা সফরে ইরানের বিমানকে ঘিরে রাখে তারা। সূত্রের দাবি, ইজরায়েলি সেনা গোপনে ভয়ংকর ষড়যন্ত্র করেছিল। তাদের পরিকল্পনা ছিল ইসলামাবাদ ফেরত আকাশেই ইরানের প্রতিনিধি দলের বিমান ধ্বংস করা। সেই কারণেই তেহরানের ঢাল হয়ে দাঁড়ায় ইসলামাবাদ। শুধু তা-ই নয়, আকাশপথে নজরদারির জন্য এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমও ব্যবহৃিত হয়েছে বলে খবর। এক পাক আধিকারিকের কথায়, "ইরান চাইলে পরবর্তী বৈঠকের ক্ষেত্রেও অনুরূপ নিরাপত্তা দেওয়া হবে। অথবা পাক আকাশসীমায় প্রবেশের পর আমরা তাদের নিরাপত্তা দেব।"
উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি বৈঠকে বসে দুই দেশ। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ-সহ অন্যান্যরা আলোচনায় বসেন। ২১ ঘন্টা ধরে আলোচনা চলে দু’পক্ষের মধ্যে। কিন্তু শেষমেষ তা ব্যর্থ হয়। আগামী ২১ এপ্রিল শেষ হচ্ছে সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ। তার আগের দিন অর্থাৎ ২০ এপ্রিল ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক হবে বলে সূত্রের খবর। রবিবারই পাকিস্তানে পৌঁছে যাওয়ার কথা দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের। এবার সমাধানসূত্র না মিললে ফের যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
