সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে গিয়ে ‘অপমানিত’ পাক সাংসদ তথা পাকিস্তানের প্রাক্তন স্পিকার আসাদ কাইসার (Pakistani MP Asad Qaiser)। তাঁর দাবি, উপসাগরীয় দেশটিতে গিয়ে হোটেলে তাঁকে কোনও ঘর দেওয়া হয়নি। বলা হয়েছে, সেখানে থাকার অধিকার শুধু ভারতীয় এবং মার্কিনদেরই রয়েছে। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ কাইসার।
পাক সংসদে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমি আমিরশাহীতে গিয়েছিলাম। আমার বিমান বাতিল হয়ে গিয়েছিল। হোটেল খুঁজছিলাম। কিন্তু হোটেল কর্তৃপক্ষের আচরণ ছিল অত্যন্ত আপত্তিকর। আমরা যেহেতু পাকিস্তানি তাই আমাদের প্রতি তাদের মনোভাব ভালো ছিল না। ঘোষণা করা হয়, কেবল ভারতীয় এবং মার্কিন পাসপোর্টধারীদেরই থাকার ব্যবস্থা করা হবে। অর্থাৎ পাকিস্তানিদের প্রবেশাধিকার সেখানে নেই।” গোটা বিষয়টিতে কাইসার কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, পাকিস্তান ও আমিরশাহীর সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। উপসাগরীয় দেশটিকে তিনি ‘ভ্রাতৃপ্রতিম ইসলামি রাষ্ট্র’ হিসাবেও উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, আমিরশাহীর উন্নয়নে ইসলামাবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
কাইসার আরও দাবি করেছেন, এই ঘটনার পর তাঁর সঙ্গে আমিরশাহীর একটি প্রতিনিধি দল যোগাযোগ করেছে। তাঁর কথায়, "পাকিস্তানের জনগণ আমিরশাহী সরকারের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পোষণ করে। তাই এই ধরনের ঘটনাকে দুই দেশের সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে দেওয়া উচিত নয়।" যদিও গোটা বিষয়ে উপসাগরীয় দেশটি এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।উল্লেখ্য, আমিরশাহীতে বিপুল সংখ্যক পাকিস্তানি বসবাস করেন। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, দেশটিতে বসবাসকারী পাকিস্তানির সংখ্যা ১৫ লাখেরও বেশি।
