৫ ক্রু সদস্য-সহ আরবসাগরে নিখোঁজ পাকিস্তানের কার্গো বিমান। মঙ্গলবার গভীর রাতে করাচি থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পশ্চিমে আরব সাগরে থাকাকালীন সমস্ত যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যায় বিমানটির। এরপর থেকে বিমানটির আর কোনও খোঁজ মিলছে না। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মাঝ সমুদ্রেই দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বিমানটি। সেটির খোঁজে জোরকদমে তল্লাশি শুরু করেছে পাক প্রশাসন।
জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর শারজা বিমানবন্দর থেকে আকাশে উড়েছিল বোয়িং ৭৩৭ কার্গো বিমানটি। এটির পরিচালনার দায়িত্বে ছিল পাকিস্তানের কে২ এয়ারওয়েজ। সূত্রের খবর, স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৮ মিনিট নাগাদ বিমানের পাইলটের তরফে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানানো হয়। এরপরই ৯টা ২১ নাগাদ রাডারে দেখা যায় দ্রুত নিচের দিকে নামছে বিমানটি। তারপর থেকে বিমানটির আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষ যোগাযোগের সময় করাচি থেকে বিমানটির দূরত্ব ছিল ২৮৭ কিলোমিটার।
সূত্রের খবর, স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৮ মিনিট নাগাদ বিমানের পাইলটের তরফে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানানো হয়। এরপরই ৯টা ২১ নাগাদ রাডারে দেখা যায় দ্রুত নিচের দিকে নামছে বিমানটি।
প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বিমানটি। পাকিস্তানের সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কে২ এয়ারওয়েজের তরফে বিবৃতি জারি করে এই ঘটনার কথা জানানো হয়েছে। বেসরকারি এই সংস্থা জানিয়েছে, সরকারের সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে। ক্রু সদস্যদের যাতে দ্রুত খুঁজে বের করা যায় সেই আবেদন জানানো হয়েছে। ক্রু সদস্যদের খুঁজে বের করতে পাক নৌসেনা ও বায়ুসেনা যৌথভাবে তল্লাশি শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, শেষবার পাকিস্তানে সবচেয়ে বড় বিমান দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছিল ২০২০ সালে। যাত্রীবাহী বিমানে মর্মান্তিক সেই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ৯৭ জনের। পাশাপাশি আহত হন আরও ২ জন। সেই বিমানটিরও করাচিতে অবতরণের কথা ছিল। তার আগেই ঘটে দুর্ঘটনা।
