ব্রিটিশ রাজপরিবারে ফের টানাপোড়েন। মান-অভিমান ভুলেই হোক কিংবা নিজেদের কাজে, চার বছর পর সস্ত্রীক লন্ডন ফিরতে চান বাকিংহাম প্যালেসের ছোট রাজপুত্র হ্যারি। আগামী জুলাইতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংক্রান্ত অনুষ্ঠানের প্রচারে তাঁদের লন্ডন আসার কথা। কিন্তু এখানেই গেরো! শোনা যাচ্ছে, হ্যারি-মেগানের সুরক্ষা এক্ষেত্রে বাধা হতে পারে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বাহিনীর অনুমোদন মিললে তবেই তাঁরা স্বদেশে ফিরতে পারবেন। সব ঠিক থাকলে জুলাইতে বার্মিংহামে ডিউক অ্যান্ড ডাচেস অফ সাসেক্স ওই অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন।
হ্যারি-মেগানের ব্রিটেন সফরে সুরক্ষা নিয়ে এত কেন টানাপোড়েন? আসলে এর সূত্রপাত চার্লস-ডায়নার ছোট ছেলের একটি মন্তব্যই। একদা ঘনিষ্ঠ মহলে প্রিন্স হ্যারি বলেছিলেন, পরিবার, ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিনি ব্রিটেনে থাকতে নিরাপদ বোধ করেন না। মেগানকে বিয়ের পর পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে বাকিংহাম প্যালেস, রাজপরিবার ছেড়ে আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছিলেন হ্যারি। এমনকী 'রাজ' উপাধি ত্যাগ করে ক্যালিফোর্নিয়ায় আর পাঁচজনের মতো বসবাস শুরু করেন তাঁরা। তিন সন্তানের জন্মও হয় আমেরিকায়। তবে সুরক্ষার বিষয়ে কোনও ঝুঁকি নেননি হ্যারি-মেগান। আমেরিকায় রীতিমতো কর দিয়ে র্যাভেক (RAVEC) মোতায়েন করা হয়েছে। এখন ব্রিটেনের ছোট রাজপুত্রের লন্ডন ফেরার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার এই কমিটির।
নেদারল্যান্ডসের অনুষ্ঠানে হ্যারি-মেগান। ফাইল ছবি
কী এই র্যাভেক? তার বিশেষত্বই বা কী? RAVEC-এর পুরো নাম এক্সিকিউটিভ কমিটি ফর প্রোটেকশন অফ রয়্যালটি অ্যান্ড পাবলিক ফিগারস। যে কোনও রাজপরিবারের সদস্যদের সুরক্ষার ভার থাকে এদের। কমিটিতে থাকেন পুলিশ, রাজপরিবারের সদস্য এবং বিশেষজ্ঞ। রাজপরিবারের কারও কোনও সফর সম্পর্কে নিরাপত্তার খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এই RAVEC. নিরাপত্তায় বিন্দুমাত্র খামতি থাকলেই তা বাতিল করে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করে না।
কী এই র্যাভেক? তার বিশেষত্বই বা কী? RAVEC-এর পুরো নাম এক্সিকিউটিভ কমিটি ফর প্রোটেকশন অফ রয়্যালটি অ্যান্ড পাবলিক ফিগারস। যে কোনও রাজপরিবারের সদস্যদের সুরক্ষার ভার থাকে এদের।
এখন হ্যারি-মেগানের ব্রিটেন সফরও এই বিশেষ কমিটির হাতে। লন্ডনের অনুষ্ঠান দূরে থাক, র্যাভেক অনুমতি না দিলে নিজেদের বাকিংহাম প্যালেসেও ফিরতে পারবেন না ডিউক অ্যান্ড ডাচেস অফ সাসেক্স। শেষবার ২০২২ সালে তাঁরা লন্ডনে গিয়েছিলেন, ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শেষকৃত্যে। সেই হিসেবে ৪ বছর পর আবার ব্রিটেনে যাবেন।
