shono
Advertisement
Russia

'গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ নয়', ট্রাম্পের শাসানির মাঝেই এবার আসরে রাশিয়া

লাভেরফ বলেন, "গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে রাশিয়ার কোনও আগ্রহ নেই। ওয়াশিংটনও জানে এই দ্বীপ অধিগ্রহণ করার কোনও পরিকল্পনা মস্কোর নেই। এরসঙ্গেই তিনি যোগ করেন, তবে নীতিগত ও প্রাকৃতিকভাবে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ নয়।"
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:08 PM Jan 20, 2026Updated: 08:08 PM Jan 20, 2026

গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ নিয়ে ট্রাম্পের দাপাদাপির মাঝেই এবার আসরে রাশিয়া। মঙ্গলবার রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভেরফ জানালেন, গ্রিনল্যান্ড প্রাকৃতিকভাবে ডেনমার্কের অংশ নয়। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির মাঝেই রাশিয়ার এই বার্তা আমেরিকা ও ইউরোপের সংঘাতের আগুনে নতুন করে ঘি ঢালবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাশিয়ার এই বার্তায় স্পষ্ট যে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকার দাবিকে সহজে মান্যতা দেবে না মস্কো।

Advertisement

মঙ্গলবার মস্কোয় সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হয়ে লাভেরফ বলেন, "গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে রাশিয়ার কোনও আগ্রহ নেই। ওয়াশিংটনও জানে এই দ্বীপ অধিগ্রহণ করার কোনও পরিকল্পনা মস্কোর নেই। এরসঙ্গেই তিনি যোগ করেন, তবে নীতিগত ও প্রাকৃতিকভাবে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অংশ নয়। এটি নরওয়েরও অংশ নয়। ওটা ছিল আসলে ঔপনিবেশিক জয়। এটাও ঠিক যে, এখানে বসবাসকারী লোকজন গোটা বিষয়ের সঙ্গে সহজ ও অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। গ্রিনল্যান্ডের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর আমাদেরও নজর রয়েছে।"

তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির মাঝে রুশ বিদেশমন্ত্রীর এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। রাশিয়ার বার্তায় স্পষ্ট যে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকার দাবিকে সহজে মান্যতা দিতে নারাজ রাশিয়া। বরং গোটা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতেই আগ্রহী তাঁরা। গ্রিনল্যান্ড পৃথক ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সেখানে ডেনমার্কের কর্তৃত্বকে অস্বীকার করতে চাইছে মস্কো। যে দাবি এর আগে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও করেছেন। সেই সুরে সুর মিলিয়ে আসলে আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে চলমান সংঘাত আরও বাড়িয়ে তুলতে চায় রাশিয়া। তাতে পরোক্ষভাবে লাভবান হবেন পুতিন।

উল্লেখ্য, গ্রিনল্যান্ড দখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এপ্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, গ্রিনল্যান্ড আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল এই দ্বীপ। তবে ট্রাম্পের সেই ইচ্ছার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ইউরোপের একাধিক দেশ। বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপটিকে সমর্থনের জন্য ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের উপর তিনি নিক্ষেপ করেছেন শুল্কবাণ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement