সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার খুন হলেন ইউক্রেন সংসদের প্রাক্তন স্পিকার আন্দ্রে পারুবি। তাঁকে গুলিতে ঝাঁজরা করে দেয় আততায়ী। প্রাক্তন স্পিকারের হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। পারুবির খুন নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন 'ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড'। প্রশ্ন উঠছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে প্রাক্তন স্পিকারের খুনের ঘটনার নেপথ্যে কী বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে?
এক্স হ্যান্ডেলে প্রেসিডেন্ট জেলনস্কি জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইহোর ক্লাইমেনকো এবং প্রসিকিউটর জেনারেল রুসলান ক্রাভচেঙ্কো হত্যাকাণ্ডের প্রথম বিবরণ জানিয়েছেন তাঁকে। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, "তাঁর (আন্দ্রে পারুবি) পরিবার এবং প্রিয়জনদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।" এই খুনের তদন্তের বিষয়ে যাবতীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থা, সেকথাও জানিয়েছেন তিনি।
ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম কিয়েভ ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, শহরের দক্ষিণাঞ্চলের ফ্রাঙ্কিভস্কি জেলায় পারুবিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দুপুরের দিকে একটি আপাতকালীন ফোন পেয়েছিল তারা। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। যদিও ভুক্তভোগী ঘটনাস্থলেই মারা যান। প্রশ্ন উঠছে, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কি বিদেশিশক্তির হাত রয়েছে?
ক'দিন আগেই ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানানোয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সমাজমাধ্যমের পোস্টে তিনি লেখেন, “রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের অবসানে ভারতের ভূমিকার উপর ভরসা রয়েছে কিয়েভের।”
প্রসঙ্গত, ভারতের স্বাধীনতার দিবসের ঠিক পরদিন ছিল ১৬ আগস্ট ছিল ইউক্রেনের স্বাধীনতা দিবস। সেদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইউক্রেনবাসীকে ভবিষ্যৎ শান্তি এবং অগ্রগতির বার্তা দেন। অপরপক্ষে ১৫ আগস্টে এক বার্তায় ভারতীয়দের শুভেচ্ছা জানান জেলেনস্কি। সেই সময়েও রুশ-ইউক্রেন শান্তিপ্রক্রিয়ায় ভারতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
