shono
Advertisement

কোভিডে স্কুল বন্ধ থাকায় বেড়েছে লিঙ্গবৈষম্য, ইউনেস্কোর সমীক্ষার উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

কীভাবে বেড়েছে লিঙ্গবৈষম্য?
Posted: 08:11 PM Nov 22, 2021Updated: 08:12 PM Nov 22, 2021

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুধু পড়াশোনারই যে ক্ষতি হয় তা নয়। কোভিড অতিমারীর জেরে দীর্ঘসময় স্কুল বন্ধ থাকলে হতে পারে আরও বড় সামাজিক ব্যাধি। লিঙ্গবৈষম্য। ইউনেস্কোর (UNESCO) নতুন সমীক্ষার ফল তেমনটাই জানান দিচ্ছে।

Advertisement

‘হোয়েন স্কুলস শাট : জেন্ডারড ইমপ্যাক্টস অফ কোভিড-১৯ স্কুল ক্লোজার্স’ শীর্ষক বিশ্বব্যাপী ওই সমীক্ষার ফলে প্রকাশ–শুধুমাত্র নাবালক স্কুল পড়ুয়াদের উপরই নয়। স্কুল বন্ধ (School Shut) থাকার জেরে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কিশোর-কিশোরীদের উপরও। ইউনেস্কোর অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর-জেনারেল ফর এডুকেশন, স্টেফানিয়া জিয়ান্নিনির বক্তব্য, “কোভিড-১৯ সংক্রমণের চুড়োয় থাকার সময়, স্কুল বন্ধের দরুন বিশ্বের ১৯০টি দেশের ১.৬ বিলিয়ন পড়ুয়ার উপর প্রভাব পড়েছিল। শুধুমাত্র যে তাদের পড়াশোনার ক্ষতি হয়েছিল তাই নয়, স্কুল নিয়মিত যাওয়ার যে একাধিক সুফল, তার থেকেও তারা বঞ্চিত হয়েছিল।”

[আরও পড়ুন: ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তি! কোভ্যাক্সিনের দু’টি ডোজে সবুজ সংকেত ইংল্যান্ডের]

জিয়ান্নিনির দাবি, “এত বিরাট মাপের ক্ষতি পড়ুয়াদের মধ্যে স্কুল ছাড়ার প্রবণতা বাড়িয়ে দিয়েছে। পৃথিবীর একাধিক দেশে উত্তরোত্তর বেড়েছে ড্রপ আউটের সংখ্যা। তবে তাছাড়াও আর যে যে সমস্যা, আরও ব্যাপক হারে দেখা দিয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছে লিঙ্গবৈষম্য, স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব, সার্বিকভাবে ভাল থাকার উপর প্রভাব, নিরাপত্তার অভাব প্রভৃতি।” ঠিক কীভাবে বেড়েছে লিঙ্গবৈষম্য?

রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টের ব্যাখ্যা, “দরিদ্র দেশগুলিতে যে মুহূর্তে মেয়েরা স্কুলে যেতে পারছে না, কোভিডের কারণে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে–তাদের গৃহস্থালির কাজকর্মে যুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে। আর দিন, দিন তার ব্যাপ্তি বাড়ছে। অন্যদিকে ছেলেদের ক্ষেত্রে প্রভাব পড়ছে অন্যভাবে। তাদের উপার্জনমুখী কাজকর্ম করতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। মেয়েদের ক্ষেত্রে দূরশিক্ষায় ডিজিটাল লার্নিং-এর সুযোগসুবিধাও, ছেলেদের তুলনায় কম। উচ্চমানের প্রযুক্তি-সম্পন্ন সাজ-সরঞ্জামও মেয়েরা কম পায়।”

[আরও পড়ুন: গণতন্ত্র রক্ষা নিয়ে আলোচনা আমেরিকায়, আমন্ত্রিত ভারত-তাইওয়ান, ডাক পেল না চিন-রাশিয়া]

রিপোর্টে প্রকাশ, সমীক্ষায় পাকিস্তানের যে যে জেলার নথি নেওয়া হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা দিয়েছে–শুধুমাত্র ৪৪ শতাংশ মেয়েদের কাছে মোবাইল ফোন আছে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য, ছেলেদের ক্ষেত্রে যা ৯৩ শতাংশ। ছাত্রীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দরকারে পড়লে, তাদের বাবা বা অন্য কোনও আত্মীয়ের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement