আমেরিকার মিনিয়েপলিসে মার্কিন অভিবাসন দপ্তর (আইসিই)-এর আধিকারিকের গুলিতে খুন হয়েছেন এক যুবক। তারপরই সেখানে নতুন করে বিভোক্ষ শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। এই পরিস্থিতিতে অভিবাসন শীর্ষ কর্তা তথা সীমান্তে টহলরত বাহিনীর কমান্ডার গ্রেগরি বোভিনো-সহ অন্যান্য আধিকারিকদের মিনিয়েপলিস ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।
গত শনিবার আইসিই আধিকারিকের গুলিতে মৃত্যু হয় অ্যালেক্স প্রেটি নামে এক যুবকের।হোমল্যাল্ড সিকিউরিটি বিভাগ দাবি করে, ওই যুবকের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি অগ্নেয়াস্ত্র এবং দু’টি ম্যাগাজিন। এমনকী তিনি ওই এলাকায় অগ্নেয়াস্ত্রের ছবিও বিতরণ করছিলেন। পরিস্থিতি জটিল হতেই গুলি চালাতে বাধ্য হন আধিকারিকরা। আত্মরক্ষার জন্যই আধিকারিকরা গুলি করতে বাধ্য হন বলে দাবি করে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে মার্কিন প্রশাসনের সব অভিযোগ খারিজ করে দেয় নিহতের পরিবার। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন মিনিয়েপলিসের গভর্নর টিম ওয়ালজ। প্রতিবাদে পথে নামে বাসিন্দারা।
এই পরিস্থিতিতে মিনিয়েপলিসের ডেমোক্র্যাটিক প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেই বৈঠককে তিনি 'ইতিবাচক' বলেও অভিহিত করেন। এরপরই বোভিনো-সহ অন্যান্য আধিকারিকদের মিনিয়েপলিস থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় হোয়াইট হাউস।
