স্কুলে বাড়ছে বন্দুকবাজের হামলা, শিক্ষকদের আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অনুমতি দিতে নয়া আইন ওহাইয়োয়

08:51 PM Jun 04, 2022 |
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকার (USA) স্কুলগুলিতে বন্দুকবাজের হামলা ঘটেই চলেছে। ক’দিন আগেই টেক্সাসের (Texas) এক প্রাথমিক স্কুলে আচমকা হামলা চালায় এক ১৮ বছরের কিশোর। তার ছোঁড়া গুলিতে অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়। এই পরিস্থিতিতে দেশটির ওহিও (Ohio) প্রদেশে নতুন আইন আসতে চলেছে। ওই আইনে মার্কিন প্রদেশটির স্কুলের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র রাখতে পারবেন। বিশেষভাবে স্কুলে থাকাকালীন শিক্ষকদের সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলা হয়েছে নয়া বিলে। ২৪ ঘণ্টার বিশেষ প্রশিক্ষণের পরেই আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দেওয়া হবে তাঁদের হাতে।

Advertisement

প্রস্তাবিত এই আইন নিয়ে বিতর্ক দানা বেধেছে। নয়া আইনের স্বপক্ষে যাঁরা তাঁদের বক্তব্য, এর ফলে স্কুলে বন্দুকবাজের হামলা কমবে। পড়ুয়া, শিক্ষক ও অন্য কর্মীরা অনেকটা সুরক্ষিত হবে। বিপক্ষের মত, এই সিদ্ধান্তে পড়ুয়াদের জন্য স্কুলগুলি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

[আরও পড়ুন: লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানির দাম!গাধায় টানা গাড়িতে অফিস আসার আর্জি পাক যুবকের]

উল্লেখ্য, টেক্সাসের ভয়ংকর ঘটনার দশ দিনের মধ্যে এমন আইনের প্রস্তাব করা হয়েছে ওহিওতে। প্রদেশের গভার্নর জানিয়েছেন, নতুন বিলটিকে আইনে পরিণত করতে স্বাক্ষর করবেন তিনি। গত বছরই ওহিও আদালত জানিয়েছিল, শিক্ষকদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দেওয়ার আগে তাঁদের কম করে ৭০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ দিতে হবে প্রশাসনকে। যদিও নয়া বিলে ২৪ ঘণ্টার প্রশিক্ষণের কথা বলা হয়েছে।

Advertising
Advertising

প্রস্তাবকারীদের বক্তব্য, শিক্ষকদের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকলে স্কুলে হামলা হলে পুলিশের আগেই তাঁরা বন্দুকবাজের মোকবিলা করতে পারবেন। জানা গিয়েছে, শিক্ষকদের নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ দেওয়ার আগে দেখে নেওয়া হবে তাঁদের কোনওরকম অপরাধমূলক অতীত ছিল কিনা। যদিও বিলটির বিপক্ষে খোদ ওহিওর শিক্ষকদের সংগঠনগুলি। তাদের বক্তব্য, একজন শিক্ষকের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দেওয়া রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

[আরও পড়ুন: ১০০ দিনের যুদ্ধে ইউক্রেনের ২০ শতাংশ দখল রাশিয়ার! গান্ধীজির বাণীই এখন ভরসা জেলেনস্কির]

প্রসঙ্গত, টেক্সাসের ঘটনায় যে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছিল তাদের মধ্যে ১৯ জন পড়ুয়া! পরে পুলিশের গুলিতে মারা যায় বন্দুকবাজ কিশোরটিও। নিহত বন্দুকবাজের নাম সালভাদর রামোস। সে একটি হ্যান্ডগান ও রাইফেল নিয়ে হামলা চালিয়েছিল বলে পুলিশ জানায়। হামলায় বহু পড়ুয়া আহত হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছিল।

Advertisement
Next