আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ অভিযানে ভয়ংকর পরিস্থিতি ইরানে। তেহরানের প্রত্যাঘাতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে। কিন্তু ইরান নিয়ে এরপর কী পরিকল্পনা আমেরিকার? কতদিন চলবে অভিযান? মুখ খুলল ওয়াশিংটন।
সোমবার মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বলেন, “ওয়াশিংটন ইরাকের কায়দায় অভিযানে আগ্রহী নয়। বরং তেহরানের সামরিক শক্তি এবং পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে চূর্ণ করার জন্যই এই অভিযান। অন্তহীনকাল ধরে এই যুদ্ধ চলবে না।” তিনি আরও বলেন, “ইরান অসহনীয় হয়ে উঠেছে। তাদের একগুঁয়ে এবং স্বতঃস্ফূর্ত পারমাণবিক অভিযান, জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা এসব সহ্য করা হবে না। এটি তথাকথিত শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যুদ্ধ নয়”
সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “চার সপ্তাহের মধ্যে এই সামরিক অভিযান শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছি আমরা। হিসেব কষে দেখেছি এই অভিযান শেষ হতে মোট ৪ সপ্তাহই লাগবে।” ইরানের আয়তন ও সামরিক দক্ষতার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “দেশটি শক্তিশালী ও অনেক বড় হলেও গোটা প্রক্রিয়া শেষ হতে ৪ সপ্তাহ বা তার কম সময়ই লাগার কথা” বর্তমান পরিস্থিতিতে আলোচনার পথ খোলা রয়েছে কি না প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, “ইরান কথা বলতে চায়। কিন্তু আমি জানিয়েছি, ওদের গত সপ্তাহে কথা বলা উচিত ছিল। এই সপ্তাহে নয়।”
এদিকে খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বেছে নিয়েছে ইরান। খামেনেইর ছেড়ে যাওয়া পদে বসছেন আয়াতোল্লা আলিরেজা আরাফি। হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর, দেশটির নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের এক আধিকারিক জানান, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের নয়া নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
