কিম 'রাজা'র আপন দেশে তো সর্বনাশা 'আইন কানুন' চলেই। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার 'একনায়ক' কিম জং উনের 'দুর্বুদ্ধি'র দৌড় তো আরও দূর! দেশের যুবকদের বিদেশে চাকরি করতে পাঠিয়ে সেই অর্থ নাকি পরমাণু অস্ত্র তহবিলে দান করতে চাপ দিচ্ছেন কিম। এক্ষেত্রে বেশি চাপ তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের উপর। সম্প্রতি এই অভিযোগ তুলে আমেরিকা-সহ ৯টি দেশের অন্তত ১৯ টি সরকারি নিয়োগ সংস্থার তরফে সতর্কতামূলক বিবৃতি জারি করেছে। বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া থেকে যাঁরা চাকরির জন্য পশ্চিমে পাড়ি দিচ্ছেন, তাঁদের নিয়োগে বাড়তি সতর্কতা নিতে হবে। প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে উপার্জনের অর্থ তাঁরা নাকি দেশের পরমাণু প্রকল্পে ঢালছেন, যা বিপজ্জনক।
উত্তর কোরিয়ার পরমাণু প্রকল্পের বরাবর বিরোধিতা করেছে পশ্চিমি দুনিয়া। বিশেষ করে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলি। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদও এনিয়ে পিয়ংইয়ংয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তা সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে সাইবার অপরাধ, বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীকে নিয়ে ষড়যন্ত্র, ক্রিপ্টোকারেন্সি জালিয়াতির মতো দুষ্কর্মের নেপথ্যে উত্তর কোরিয়ার বড় হাত আছে বলে মনে করে উন্নত দেশগুলি। সবমিলিয়ে কিম জং উনের রহস্যে মোড়া সাম্রাজ্যের প্রতি তাদের হাজারও অভিযোগ। উলটোদিকে, পিয়ংইয়ংও পশ্চিমি দুনিয়ার সঙ্গে সমানে সমানে পাল্লা দিতে নিজেদের পরমাণু শক্তিধর দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। মাঝেমধ্যেই নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে তারা গোপনে পরীক্ষা করে।
সম্প্রতি পিয়ংইয়ং থেকে এসব দেশে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে চাকরির খোঁজে যাওয়া যুবক-যুবতীদের গতিবিধি আরও সন্দেহের উদ্রেগ করেছে। নিয়োগ সংস্থাগুলির আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আশ্রয় নিয়ে এসব কর্মীরা আসলে দেশের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে চান। চাকরি পেতে তাঁরা নিজেদের পরিচিতিও গোপন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন নিয়োগকর্তারা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় চাকরি নিয়ে তার আড়ালে চরবৃত্তিও করতে পারেন বলে আশঙ্কা। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফাটল ধরানো থেকে নানাধরনের সাইবার অপরাধ এঁদের উদ্দেশ্য।
কিন্তু সম্প্রতি পিয়ংইয়ং থেকে এসব দেশে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে চাকরির খোঁজে যাওয়া যুবক-যুবতীদের গতিবিধি আরও সন্দেহের উদ্রেগ করেছে। নিয়োগ সংস্থাগুলির আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আশ্রয় নিয়ে এসব কর্মীরা আসলে দেশের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে চান। চাকরি পেতে তাঁরা নিজেদের পরিচিতিও গোপন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন নিয়োগকর্তারা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় চাকরি নিয়ে তার আড়ালে চরবৃত্তিও করতে পারেন বলে আশঙ্কা। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফাটল ধরানো থেকে নানাধরনের সাইবার অপরাধই এঁদের উদ্দেশ্য।
আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইটালি, নেদারল্যান্ডস, নিউজিল্যান্ডের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, উত্তর কোরিয়ার তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীরা গোটা পদ্ধতিকে অত্যন্ত আরও আধুনিক ও পরিশীলিত করে তুলেছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে নিজেদের আবছায়াময় অবয়ব তৈরি করেন। গোটা বিশ্বে তা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে যাবতীয় কুকীর্তি করে যাচ্ছে। আসলে এভাবে তারা নিজের দেশের পরমাণু প্রকল্পগুলিকে সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা করেছে। তাই সাবধান! এসব কর্মীদের কাজে নিয়োগের আগে ভালোভাবে পরিচয় খতিয়ে দেখতে হবে। এ সবই কিমের 'দুষ্টু' ছক কিনা!
