জীবন-মৃত্যুর মতোই সত্য প্রেম-বিচ্ছেদ। কারণ ভিন্ন হলেও কখনও না কখনও প্রত্যেকেরই মন ভাঙে। কারও মন ভাঙে বহুবার। তা সত্ত্বেও যন্ত্রণা কাটিয়ে কেউ নিজেকে গুছিয়ে নেন। আবার এমন লোকও আছেন, যারা মন ভাঙার বেদনাকে সঙ্গী করে কাটিয়ে দেন গোটা জীবন। কিন্তু জানেন কি এই বিচ্ছেদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জন্মসংখ্যা। অবাক হলেন নিশ্চয়ই? আসলে জন্মসংখ্যাতেই লুকিয়ে বিচ্ছেদের কারণ। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক ব্রেক আপ নিয়ে কী বলছে সংখ্যাতত্ত্ব।
জন্মসংখ্যা ১ ( ১, ১০, ১৯, ২৮)
১ জন্মসংখ্যার জাতকরা বরাবরই নেতৃত্ব দিতে ভালোবাসেন। এরা সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে চান। প্রেমের ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয় না। সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টার কারণেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিচ্ছেদ হয় এদের।
জন্মসংখ্যা ২(২, ১১, ২০ বা ২৯)
এরা অত্যন্ত সংবেদনশীল প্রকৃতির। যাকে ভালোবাসেন তাঁর উপর পুরোপুরি নির্ভরশী হয়ে পড়েন। উলটোদিকে মানুষটার কাছে অনেকসময় এই নির্ভরতা বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়ায়। যার পরিণতি বিচ্ছেদ।
জন্মসংখ্যা ৩ (৩, ১২, ২১, ৩০)
এরা জীবনের কোনওকিছুকেই বিশেষ গুরুত্ব দিতে রাজি নন। হাসি-মজা করেই কাটিয়ে দিতে চান এরা। প্রেমের ক্ষেত্রেও বিষয়টা ঠিক তাই। উদাসীন মনোভাবই অধিকাংশ ক্ষেত্রে এদের বিচ্ছেদের কারণ হয়।
জন্মসংখ্যা ৪ (৪, ১৩, ২২, ৩১)
৪ জন্মসংখ্যার জাতকরা অত্যন্ত স্বাধীনচেতা ঠিকই তবে এরা ভীষণ ইন্ট্রোভার্ট। মনের মধ্যে কী চলে তা বুঝিয়ে বলতে পারেন না। ফলে অধিকাংশই এদের ভুল বোঝেন। যার পরিণতি বিচ্ছেদ।
জন্মসংখ্যা ৫ (৫, ১৪, ২৩)
এরা প্রেমে থাকতে ভালোবাসে, তবে কমিটমেন্টে এদের ভীষণ ভয়। দায়িত্ব নিতে চান না মোটেও। ফলে বিচ্ছেদ অনিবার্য।
জন্মসংখ্যা ৬ (৬, ১৫, ২৪)
এরা সঙ্গীর প্রতি অত্যন্ত যত্নশীল। তবে সঙ্গীকে নিয়ন্ত্রণ করতে চান এরা। কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে মিশছেন, সব কিছুতে এদের নাক গলানো চাই। যা একটা সময়ে দুজনের মাঝে দূরত্ব তৈরি করে দেয়। পরিণতি বিচ্ছেদ।
জন্মসংখ্যা ৭ (৭, ১৬, ২৫)
এরা যুক্তি দিয়ে সব কিছু বিচার করেন। আবেগের বশে কোনও কিছু করতে রাজি নন এরা। আর যুক্তিতে হিসেব না মিললেই চুপচাপ সরে আসেন এরা।
জন্মসংখ্যা ৮ (৮, ১৭, ২৬)
এরা ভীষণ কর্মঠ। যে কোনও ক্ষেত্রে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে পছন্দ করে। এটাই এদের নেতিবাচক দিক। সম্পর্কে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টাই এদের বিচ্ছেদের যন্ত্রণার সম্মুখীন করে অধিকাংশ ক্ষেত্রে।
জন্মসংখ্যা ৯ (৯, ১৮, ২৭)
এরা অতীতকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকে। ফলে সঙ্গীর সঙ্গে অশান্তি হলেই বহু পুরনো কথা টেনে আনেন। যা সম্পর্ককে নষ্ট করে দেয়।
[জন্ম সংখ্যা কী? জন্ম সংখ্যা হয় ১ থেকে ৯ পর্যন্ত। অর্থাৎ ধরুন, আপনার জন্ম ১৩ তারিখ, সেক্ষেত্রে আপনার জন্ম সংখ্যা হল ১+৩= ৪। একইভাবে যদি আপনার জন্মতারিখ হয় ১৯, তাহলে বার্থ নম্বর হবে ১+৯= ১০। কিন্তু সংখ্যার খেলা ১ থেকে ৯ পর্যন্ত। তাই ১+৯= ১০ (১+০) হবে ১। অর্থাৎ জন্ম সংখ্যা হল ১। একইভাবে ৮, ১৭ ও ২৬ তারিখে যাদের জন্ম তাঁদের সকলের জন্মসংখ্যাই ৮।]
