ভোটমুখী বাংলাদেশে বেড়েই চলেছে সংখ্যালঘু নির্যাতন। লাগাতার চলছে ভারত-বিরোধী প্রচার। এই পরিস্থিতিতে রাতারাতি বাংলাদেশ ছাড়লেন ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সংস্থা এনটিপিসি-র ন'জন আধিকারিক। শনিবার ভারত-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে তৈরি রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম ‘দ্য ডেইলি স্টার’কে এ কথা জানান।
ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে যে বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে ওপার বাংলায়, বাগেরহাটের সেই বিদ্যুৎকেন্দ্রেই কর্মরত ছিলেন এনটিপিসি-র ওই ন'জন আধিকারিক। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, কোনও রকম অনুমতি বা নোটিস ছাড়াই ভারতের আধিকারিকেরা বিদ্যুৎকেন্দ্র ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তাঁদের ঘরে সকালের খাবার দিতে যাওয়ার সময় বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরে কর্তৃপক্ষ জানান, ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তাঁরা ভারতে চলে গিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত বছর বাংলাদেশে দীপু দাসকে পুড়িয়ে খুনের ঘটনা চাপানউতরের মধ্য়েই সেখানে বেশ কয়েক জন সংখ্যালঘুকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে নয়াদিল্লি-ঢাকার টানাপড়েনও চলছে। কিন্তু তারপরেও সংখ্যালঘু নির্যাতন থামেনি ওপার বাংলায়। শুক্রবারও দীপু খুনের স্মৃতি উসকে দিয়ে নরসিংদীতে চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক নামে এক যুবককে পুড়িয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশে।
পুলিশ সূত্রে খবর, চঞ্চল কুমিল্লা জেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু কয়েকবছর ধরে কর্মসূত্রে নরসিংদীতে বাস করছিলেন। মসজিদ বাজার এলাকার কাছে একটি গ্যারেজে তিনি কাজ করতেন। জানা যাচ্ছে, অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবার রাতেও কাজ শেষ করে গ্যারেজের ভিতর ঘুমাচ্ছিলেন চঞ্চল। স্থানীয় সূত্রে খবর, গভীর রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী গ্যারেজের শাটারে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এরপরই আততায়ীরা সেখান থেকে চম্পট দেয়। গ্যারেজের ভিতর দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। গ্যারেজের ভিতরেই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় চঞ্চলের। ঘটনার মুহূর্তের একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)।
