১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দু'বার ভূমিকম্প কেঁপে উঠল বাংলাদেশ (Bangladesh Earthquake)। আর সেই কম্পনের প্রভাব এসে পড়ল কলকাতা ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে। শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ নাগাদ আচমকা কম্পন অনুভূত হয় কলকাতা ও সংলগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকা। অন্তত ৫২ সেকেন্ড ধরে স্থায়ী ছিল কম্পন। পরে জানা গিয়েছে, এই কম্পনের উৎসস্থল বাংলাদেশ। সেখানকার খুলনা সংলগ্ন এলাকায় ভূমিকম্প শুরু হয়। রাজধানী ঢাকা থেকে ২৮০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বই এর আসল উৎস। এলাকাটি ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশ লাগোয়া। তাই অসম, মিজোরামেও কম্পনের তীব্রতা টের পাওয়া গিয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৫। তবে ভূমিকম্পের জেরে এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ নাগাদ আচমকা কম্পন অনুভূত হয় কলকাতা ও সংলগ্ন দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক এলাকা। অন্তত ৫২ সেকেন্ড ধরে স্থায়ী ছিল কম্পন। পরে জানা গিয়েছে, এই কম্পনের উৎসস্থল বাংলাদেশ। সেখানকার খুলনা সংলগ্ন এলাকায় ভূমিকম্প শুরু হয়। রাজধানী ঢাকা থেকে ২৮০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বই এর আসল উৎস।
শুক্রবার স্থানীয় সময় অনুযায়ী ঘড়িতে দুপুর পৌনে দুটো পেরিয়েছে সবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জুম্মার নমাজ শেষ হয়েছে। লোকজন বাড়ি ফেরার পথে। আচমকাই প্রবল কম্পনে দুলে উঠল পথঘাট! প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে সকলে বুঝতে পারেন, ভূমিকম্প হচ্ছে। প্রাণে বাঁচতে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। সকলেই নিরাপদ স্থানে আশ্রয় খোঁজেন। ঘরে যাঁরা ছিলেন, কম্পন টের পাওয়ার পর তাঁরা সকলে বাড়ির বাইরে চলে আসেন। বহুতল থেকে নেমে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন বাসিন্দারা।
পরে জানা গিয়েছে, প্রায় ৫২ সেকেন্ড ধরে কম্পন টের পাওয়া গিয়েছে। উৎসস্থল খুলনা, সাতক্ষীরা সংলগ্ন এলাকা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক তথা গবেষক হুমায়ুন আখতার জানিয়েছেন, পরপর দু'দফা এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর আগে পরপর দু'দিন ভূমিকম্প টের পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার রাতে ৫.১ মাত্রার এবং গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ৪.৬ মাত্রার দুটি পৃথক ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দেশ। ১৩ ঘণ্টার ব্যবধানে পর পর দুটি কম্পনের পর শুক্রবার আবারও বড় মাত্রার এই কম্পনে বড় দুর্যোগের আশঙ্কা করছেন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ।
